A Valediction: Forbidding Mourning by John Donne Bangla Translation

A Valediction: Forbidding Mourning by John Donne Bangla Translation
A Valediction: Forbidding Mourning by John Donne Bangla Translation

A Valediction: Forbidding Mourning

A Valediction: Forbidding Mourning

  by
See other translation of John Donne

As virtuous men pass mildly away,
And whisper to their souls to go,
Whilst some of their sad friends do say
The breath goes now, and some say, No:

So let us melt, and make no noise,
No tear-floods, nor sigh-tempests move;
'Twere profanation of our joys
To tell the laity our love.

Moving of th' earth brings harms and fears,
Men reckon what it did, and meant;
But trepidation of the spheres,
Though greater far, is innocent.

Dull sublunary lovers' love
(Whose soul is sense) cannot admit
Absence, because it doth remove
Those things which elemented it.

But we by a love so much refined,
That our selves know not what it is,
Inter-assured of the mind,
Care less, eyes, lips, and hands to miss.

Our two souls therefore, which are one,
Though I must go, endure not yet
A breach, but an expansion,
Like gold to airy thinness beat.

If they be two, they are two so
As stiff twin compasses are two;
Thy soul, the fixed foot, makes no show
To move, but doth, if the other do.

And though it in the center sit,
Yet when the other far doth roam,
It leans and hearkens after it,
And grows erect, as that comes home.

Such wilt thou be to me, who must,
Like th' other foot, obliquely run;
Thy firmness makes my circle just,
And makes me end where I begun.

বাংলা অনুবাদ

ধার্মিক লােকেরা চলে যায় নম্রভাবে,
ফিসফিস্ করে বলে আত্মাগুলােকে চলে যেতে,
যখন তাদের কিছু দুঃখ কাতর বন্ধু বলে,
এখনই নিঃশ্বাস বের হয়ে যাচ্ছে, কেউ কেউ বলে, নাঃ

তাই আমাদেরকে আলাদা হয়ে যেতে দাও কোন হৈ চৈ ছাড়া, .
কোন অশ্রুর বন্যা নয়, নয় কোন দীর্ঘশ্বাসের ঝড়,
ইহা আমাদের আনন্দকে অপবিত্র করে ফেলবে
সাধারণ লােকদেরকে আমাদের প্রেমের কথা বলে।

ভূমিকম্প বয়ে আনে ক্ষতি এবং ভীতি,
মানুষ হিসাবে করে ইহা কি করত যদি হত,
কিন্তু গ্রহ নক্ষত্রের কম্পন,
অনেক দূরে হলেও নির্দোষ।

নির্বোধ পার্থিব প্রেমিকদের ভালােবাসা
(যাদের আত্মা হচ্ছে দেহ) স্বীকার করতে পারে না
অনুপস্থিতি, কারণ যদি ইহা চলে যায়
তবে চলে যায় সব জিনিস যেগুলাে ইহা গঠন করেছিল।

কিন্তু আমাদের প্রেম এতাে বেশি পরিশুদ্ধ
যে, আমরা জানি না ইহা কি,
মনের আভ্যন্তরীণ নিশ্চয়তা,
অমনােযােগী থাকে চোখ, ঠোট আর হাতের স্পর্শ হারালেও।

যেহেতু আমাদের দুটি হৃদয় এক,
যদিও আমি যাই, ইহা কোন
ফাটল সৃষ্টি করবে না বরং বৃদ্ধি ছাড়া,
যেমন স্বর্ণকে পিটিয়ে বাতাসী পাতলা করা হয়।
যদি তারা দু’টি হয় তবে তারা দু'টি
যেমন মজবুত কম্পাস দুই বাহু বিশিষ্ট,
তব আত্মা অনড় বাহু, করে না।
নড়াচড়া, অন্যটি যদিও করে।

আর ইহা স্থির থাকে কেন্দ্রে,
যখন অন্যটি ভ্রমণ করে দূরে,
ইহা হেলে পড়ে, সামান্য হয় উদ্বিগ্ন, অন্যটির প্রতি,
এবং থাকে খাড়া অন্যটি না ফেরা পর্যন্ত।

তুমি আমার প্রতি এমনই থাকবে, অবশ্যই
পছন্দ কর অন্য বাহুকে, একটু হেলে থাকবে
তােমার দৃঢ়তা আমার বৃত্তকে সঠিক করবে,
আর আমাকে শেষ করতে দেবে, যেখানে থেকে আমি শুরু করেছিলাম।

কবিতার সারসংক্ষেপ

কবি জন ডান তার “A Valediction Forbiding Mourning” কবিতায় তাঁর প্রেমিকার প্রতি গভীর ভালােবাসা আর নিষ্ঠার প্রকাশ ঘটিয়েছেন। কারাে কারাে মতে, এ কবিতাটি কবি তাঁর স্ত্রী এ্যানিমােরকে উদ্দেশ্য করে রচনা করেছেন। কবি এক সময় কয়েক সপ্তাহের জন্য বেড়াতে গিয়েছিলেন ফ্রান্সে। তাঁর এই অনুপস্থিতে তাঁর পত্নী বিয়ােগ ব্যথায় কিছুটা অসুস্থ হয়ে পড়েন। কবি তাঁর পত্নীকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেন, আমাদের এই আলাদা হওয়ার বিষয়টিকে অধিক গুরুত্ব দিয়ে শােকাবহ করে তুলাে
এটা আনন্দকে অপবিত্র করে দেবে। কবি বলেন, তার প্রেম এতােটাই খাঁটি যে তিনি দূরে সরে এলেও তাদের দুজনার প্রেম খাটি ও নিখাদ, সাময়িক এই দূরত্ব তাদের মাঝে কোনাে সমস্যা সৃষ্টি করবে না, ঠোট আর হাতের স্পর্শ না পেলেও মনের ভেতরের আবেগ, ভালােবাসার কোনােরূপ ঘাটতি হবে না। যেহেতু দুজনের হৃদয় এক সে কারণেই দুজনের ভালােবাসায় কোনােরূপ ফাটল তৈরি হবে না। কবি তাঁর পত্নীকে বলেন, তুমি তােমার ভালােবাসায় সর্বদা স্থির থাকবে আমি যতাে দূরেই থাকি না কেন। তােমার এই ভালােবাসার দৃঢ়তাই আমাকে স্থির রাখবে। মােট কথা কবি তাঁর পত্নীকে এই বলে এ কবিতায় সান্তনা দেন যে, খাঁটি ভালােবাসার কোনাে পরিবর্তন ঘটে না ভালােবাসার জন যতাে দূরেই অবস্থান করুক না কেন।

কাব্যিক মূল্যায়ন

কবি জন ডান তাঁর “A Valediction Forbiding Mourning কবিতায় তাঁর স্ত্রী এ্যানিমােরকে সান্ত্বনা প্রদান করেছেন তাঁর সাময়িক অনুপস্থিতিকে কেন্দ্র করে। কবি এক সময় ফ্রান্সে বেড়াতে গিয়েছিলেন কিছু দিনের জন্য। সে সময় কবির স্ত্রী তাঁর বিয়ােগ ব্যথায় কাতর হয়ে পড়েন। কবি তাঁর পত্নীকে সান্ত্বনা দেন এই বলে যে, তাঁর স্ত্রী যেন তাঁর এই দূরে থাকার দিকটিকে বেশি গুরুত্ব সহকারে না দেখে, সে যেন এটা নিয়ে বেশি হৈচৈ করে সাধারণ মানুষদের কানে পৌছে না দেয়, কবি মনে করেন, সাধারণ মানুষের কানে পৌঁছলে তাদের গভীর ভালােবাসা নিয়ে তারা হয়তাে ব্যঙ্গ করবে। ভালােবাসার মাঝে কালিমা লেপন করা হবে। কবি বলেন, তিনি সাময়িকভাবে স্ত্রীর কাছ থেকে আলাদা হলেও তাঁর আত্মা তাে পড়ে রয়েছে পত্নীর কাছেই। নির্বোধ প্রেমিকরা যেমন শুধু ভালােবাসার ক্ষেত্রে দেহটারই মূল্য দেয়, কবি কিন্তু তা নন, তিনি আত্মিক প্রেমে বিশ্বাসী। কবি মনে করেন তাঁর পত্নী ও তিনি এক আত্মা এক সূত্রে বাঁধা, এই বন্ধনকে সাময়িক অনুপস্থিতি আলাদা করতে পারবে না। কবির প্রেম মজবুত শক্ত বাঁধনে আটকা। কোনাে রকম খাদ নেই তার ভালােবাসায়। কবি চান তার স্ত্রীও যেন এটা মনে করে। আর তাঁর ফেরা না পর্যন্ত সে যেন তাঁর ভালােবাসায় স্থির থাকে, সে যেন কখনােই মনােকষ্টে ভুগে তার শরীরকে জীর্ণ করে না ফেলে, সে যেন সর্বদা কবির প্রতি অনুরক্ত থাকে, যেহেতু তাদের দুজনের ভালােবাসা পরিশুদ্ধ আর খাটি। দুজনের মাঝে আছে গভীর এক অচ্ছেদ্য বন্ধনের নিশ্চয়তা। কবি বলেন তারা দুজন একটি কম্পাসের মজবুত দুটো বাহু, কোনাে ক্রমেই যেন অন্য বাহুটি হেলে না পড়ে। কবি এখানে তাঁর পত্নী প্রেমের গভীর পরাকাষ্ঠা প্রদান করেছেন এ কবিতায়। কবিতার প্রতিটি ছত্রে তাঁর পত্নীকে সান্ত্বনা আর সাহস জোগাতে গিয়ে নিখাদ ভালােবাসার প্রমাণ রেখেছেন। মােট কথা কবি এ কবিতায় নিজেকে একজন সত্যিকার খাটি প্রেমিক হিসেবে জাহির করেছেন এবং তাঁর পত্নীও যেন তাঁর প্রতি সে রকমই বিশ্বস্ত থাকে এবং প্রেমে অটল থাকে এমন ইঙ্গিত প্রদান করেছেন।

Holy Sonnets: Death be not Proud by John Donne Bangla Translation

Holy Sonnets: Death, be not proud, though some have called thee, Mighty and dreadful, for thou art not so, bangla translation, TranslationBD
Holy Sonnets: Death be not Proud by John Donne Bangla Translation

Holy Sonnets: Death, be not proud

Death, be not proud, though some have called thee
Mighty and dreadful, for thou art not so;
For those whom thou think'st thou dost overthrow
Die not, poor Death, nor yet canst thou kill me.
From rest and sleep, which but thy pictures be,
Much pleasure; then from thee much more must flow,
And soonest our best men with thee do go,
Rest of their bones, and soul's delivery.
Thou art slave to fate, chance, kings, and desperate men,
And dost with poison, war, and sickness dwell,
And poppy or charms can make us sleep as well
And better than thy stroke; why swell'st thou then?
One short sleep past, we wake eternally
And death shall be no more; Death, thou shalt die.

বাংলা অনুবাদ

গর্বিত হয়ােনা হে মৃত্যু, কেউ কেউ বলে
তুমি এতােটা শক্তিমান আর ভয়াল নও,
কেউ বলে এটা মৃত্যু নয়, ধ্বংস হয় না অনন্ত জীবন
নিঃশেষ করতে পারাে না তুমি, মৃত্যু তাে এক ধরনের নিদ্রা।
মৃত্যুর ছবি সে তাে চিরকালীন বিশ্রাম আরামের স্থান,
যে কারণে পুণ্যবান মানুষেরা মরে যুবা কালে,
মৃত্যু তাদের শরীরের কারাগার হতে আত্মাকে মুক্ত করে,
এ কারণে মােরা মৃত্যুকে বলবােনা বড়ােই ভয়াল।
মৃত্যুর দ্বারে ক্রীতদাস, অভাজন রাজার ক্ষমতা সকলই সমান।
বিষ, আফিমের নেশা, যুদ্ধাহত এসব হতেও অতি উঁচুমানের নিদ্রা এই মরণ
ও সবের চাইতে মরণকেই কেন বা জানাবােনা স্বাগতম?
মৃত্যুর পরে কবরে সে তাে স্বল্পকালীন নিদ্রা
যখন মােদের স্বর্গে হবে ঠাই তখন মৃত্যু আর পাবে না নাগাল,
মৃত্যুই শেষ কথা নয়, মৃত্যুর পরও আত্মা রবে জেগে।

কবিতার সারসংক্ষেপ

কবি জন ডান রচিত “Holy Sonnets” গুচ্ছের এটি দশম কবিতা। কবি এখানে মৃত্যুর প্রসঙ্গ টেনে বলেছেন; অনেকেই বলে মৃত্যু অতােটা ভয়াল আর শক্তিমান নয়। কবি মনে করেন মৃত্যু এসে কখনােই অনন্ত জীবনকে ধ্বংস করতে পারে না। কবির মতে, মৃত্যু হচ্ছে স্বল্পকালীন কবর গৃহের নিদ্রা মাত্র, কিন্তু সামনে পড়ে আছে আছে অনন্ত স্বর্গীয় জীবন। কবি মনে করেন, মৃত্যু আসলে দেহের কারাগার হতে আত্মাকে মুক্ত করে, আত্মা মিলে যায় অনন্ত জীবন যাত্রায়, এ কারণে পুণ্যবান যুবারা অকালেই প্রাণ ত্যাগ করে। মৃত্যুর দরােজায় রাজা, ক্রীতদাস, অভাজন সবাই সমান। বিষের দাহ, আফিমের নেশায় মরণের কোলে ঢলে পড়ার চাইতে এই মৃত্যুকেই কবি স্বাগত জানিয়েছেন। কবি মনে করেন; মৃত্যুতে আত্মা শুধুমাত্র তাঁর খােলস বদলায়, অর্থাৎ দেহ পড়ে থাকে, আত্মা গিয়ে মিলিত হয় স্বর্গলােকে। কবি বলেন, ইহলৌকিক জীবনযাত্রা কিছু নয় পরলােকের অনন্ত জীবনটাই আসল, যেখানে মৃত্যুও যেতে ব্যর্থ হবে। অনন্ত স্বর্গলােকে ঠাই হলে আত্মার নাগাল পাবে না মৃত্যু। কবি এ কবিতার মধ্য দিয়ে আত্মার অবিনশ্বরতার কথা বােঝাতে চেয়েছেন।

কাব্যিক মূল্যায়ন

কবি জন ডান তাঁর “Death be not Proud” শীর্ষক কবিতায় মৃত্যুর স্বরূপ ও মহিমার প্রকাশ ঘটিয়েছেন। মৃত্যু যে শক্তিধারী ভয়াল কোনাে বিষয় নয় বরং শান্তির নিদ্রা এবং দেহের মৃত্যু হলেও আত্মার যে মৃত্যু ঘটে না সে সম্পর্কে জোরালাে যুক্তি তুলে ধরার প্রয়াস পেয়েছেন। কবি প্রথমেই জানান দেন, মৃত্যুকে ভয়ের কিছু নেই কারণ মৃত্যু কোনাে ভয়াল বিষয় নয় আর প্রচণ্ড শক্তিমানও নয়। মৃত্যু হচ্ছে শরীরী মৃত্যু এতে শুধু জৈবিক দেহটারই পতন ঘটে, আত্মা তাে অবিনশ্বর, আত্মার মৃত্যু ঘটে না কখনােই। কবি ইঙ্গিত করেন, মৃত্যু হচ্ছে কবরস্থানে কিছুকাল পরম শান্তিতে দ্রিার ব্যাপার। এরপরই আছে অনন্ত জীবন যাত্রা। জীবন কখনােই নিঃশেষ হয় না। মৃত্যুর গভীর দ্রিা পার হয়ে আত্মার স্থান হয় স্বর্গলােকে। দেহের কারাগার হতে আত্মা বের হয়ে যাত্রা করে অনন্ত লােকে, শেষে স্থিত হয় স্বর্গলােকে, কবি বলেন, এ কারণেই পুণ্যবান মানুষেরা যুবাকালেই ঢলে পড়ে মৃত্যুর কোলে। মৃত্যু এসে তাদের জীবনকে দেয় চূড়ান্ত মহিমা, তাদের স্থান হয় স্বর্গলােকে। এখানে মৃত্যু সম্পর্কে একটি অমােঘ সত্যি বাণী উচ্চারণ করেন কবি, সেটি হলাে, মৃত্যুর সামনে ক্রীতদাস, অভাজন, রাজা সবাই সমান। সব স্তরের মানবের মৃত্যুর চেহারা একই রূপ পরিগ্রহ করে। বিষজ্বালায়, আফিমের নেশায়, যুদ্ধে আহত হয়ে মৃত্যুর চাইতে এই সহজ সরল নিরাভরণ মৃত্যু অনেক শ্রেষ্ঠমানের, তাহলে এই সহজ সরল মৃত্যুকে কেন স্বাগত জানাবাে না? কবি বলেন, মৃত্যু সেতাে অল্প সময়ের দ্রিার ব্যাপার। দ্রিা হতে জাগরণ শেষে শুরু হবে আসল সত্যিকার জীবন যাত্রা। কবি বলেন আত্মার যখন স্বর্গলােকে ঠাই হবে তখন আর কোনাে জরা ব্যাধি মৃত্যু তার ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারবে না, সে জীবন হলাে অনন্ত এক পুণ্যতর মহাজীবন যাত্রা। কবি এ কারণে উচ্চারণ করেন দৈহিক মৃত্যুটাই শেষ কথা নয়। মৃত্যুর পরও অনন্তলােকে স্বর্গীয় মহিমা নিয়ে আত্মা চির জাগরুক থাকে।

The Sun Rising by John Donne বাংলা অনুবাদ, সারসংক্ষেপ ও কাব্যিক মূল্যায়ন


Busy old fool, unruly sun,
               Why dost thou thus,
Through windows, and through curtains call on us?
Must to thy motions lovers' seasons run?
               Saucy pedantic wretch, go chide
               Late school boys and sour prentices,
         Go tell court huntsmen that the king will ride,
         Call country ants to harvest offices,
Love, all alike, no season knows nor clime,
Nor hours, days, months, which are the rags of time.

               Thy beams, so reverend and strong
               Why shouldst thou think?
I could eclipse and cloud them with a wink,
But that I would not lose her sight so long;
               If her eyes have not blinded thine,
               Look, and tomorrow late, tell me,
         Whether both th' Indias of spice and mine
         Be where thou leftst them, or lie here with me.
Ask for those kings whom thou saw'st yesterday,
And thou shalt hear, All here in one bed lay.

               She's all states, and all princes, I,
               Nothing else is.
Princes do but play us; compared to this,
All honor's mimic, all wealth alchemy.
               Thou, sun, art half as happy as we,
               In that the world's contracted thus.
         Thine age asks ease, and since thy duties be
         To warm the world, that's done in warming us.
Shine here to us, and thou art everywhere;
This bed thy center is, these walls, thy sphere.

Notes:

  • prentices apprentices
  • the king will ride James I, the king of England at the time of Donne’s writing, had a known passion for riding horses and hunting.
  • rags of time a figure of speech meaning that such things are passing and immaterial. Donne uses this phrase in one of his sermons.
  • reverend worthy of high respect
  • both th’ Indias of spice and mine the East Indies for spices and the West Indies for gold. In a 1623 letter to Sir Robert Ker, Donne wrote: “Your way into Spain was Eastward, and that is the way to the land of Perfumes and Spices; their way hither is Westward, and that is the way to the land of Gold, and of Mynes.” [John Donne: Selected Prose. Edited by Helen Gardner and Timothy Healy, p. 155]
  • alchemy figuratively, not the real thing. The speculative practice of alchemy involved a search for chemically turning base metals, such as iron, into highly valuable metals, such as gold.

The Sun Rising বাংলা অনুবাদ

              ব্যস্ত, বৃদ্ধ, বােকা, অবাধ্য সূর্য,
এমন কর কেন তুমি,
জানালা, পর্দা ভেদি এলে কেন আমাদের কাছে?
         তােমার গতির সাথে মিল রেখেই কি প্রেম করতে হবে?
উদ্ধত, দাম্ভিক, দুরাত্মা, যাও ভৎসনা কর।
              দেরি করা স্কুল বালকদের, বেয়াড়া শিক্ষানবীশদের,
যাও, রাজার শিকারিদের বল, রাজা যাবেন শিকারে,
         পিপড়াগুলােকে ডাক এবং শস্য কণা আহরণের কথা বল;
প্রেম, ইহার কোন কাল নেই, দেশ নেই,
                    ঘণ্টা নেই, দিনক্ষণ নেই, মাস নেই, এসবই তাে মহাকালের ছিন্ন ন্যাকড়া।

তােমার রশ্মি উজ্জ্বল, জোরাল
তুমি নিজেকে কি মনে কর?
আমি পারি ম্লান, মেঘাচ্ছন্ন করে দিতে এক পলকে তােমার সকল আলাে,
কিন্তু ততক্ষণ আমার প্রিয়ার সৃষ্টি হতে আমি বঞ্চিত হতে চাই না;
যদি তার দিঠিতে তােমার দিঠি অন্ধ না হয়ে যায়,
তবে আমাকে বল, আগামীকাল দিবাবসানে,
মশলা আর সােনার খনির দুই ইন্ডিজ
যেখানে তুমি রেখে এসেছিলে, সেখানে আছে? না কি এখানে আমার সাথে?
যেসব রাজাদের দেখেছিলে গতকাল,
তাদের কথা সবাই শােন, এখন তারা সবাই এই বিছানায়।

আমার প্রিয়াতে সকল রাষ্ট্র, আমিই সকল রাজকুমার,
অন্য কিছু নই।
রাজকুমারদের কর্ম তুচ্ছ খেলা, আমাদের তুলনায়,
নকল, সকল সম্মান, সকল সম্পদ।
সূর্য তুমি আমাদের সুখের অর্ধেক নিয়ে যাও,
কারণ সারা বিশ্ব এখানে সংকুচিত;
বৃদ্ধ বয়সে তােমার আরাম দরকার, যেহেতু তােমার কর্তব্য
পৃথিবীকে উষ্ণ রাখা, আমাদেরকে উষ্ণ রাখলেই সেটা হয়ে যাবে।
আমাদেরকে উদ্ভাসিত করলে সারা পৃথিবী উদ্ভাসিত হবে;
এই বিছানাটাই তাে তােমার কেন্দ্র, এই দেয়ালই তাে তােমার কক্ষপথ।

কবিতার সারসংক্ষেপ

কবি জন ডান তার “The Sun Rising” কবিতায় সূর্যের প্রতি অভিযােগ এনেছেন এইভাবে যে, সূর্যটা বড়ােই দুরন্ত আর অবুঝ। সূর্য সব গােপনীয় স্থানগুলােতে আলাে ফেলে। আলাে ফেলে আনাচে কানাচে সর্বত্র সে প্রেমিক প্রেমিকার গােপন দিকটিতেও আলাে ফেলে সব প্রকাশ করে ফেলে। কবি সূর্যকে উদ্দেশ্য করে বলেন, সূর্য যেন প্রেমিক প্রেমিকার বাসর শয্যায় উঁকি না দিয়ে, বিচার বুদ্ধিহীন মানুষদের কাছে উপস্থিত হয়। যে সব বালকেরা দেরিতে বিদ্যালয়ে আসে তাদের গালি দিতে বলেছেন কবি, কৃষকদের কৃষি কর্ম শেখাতে, শিকারিদের শিকারের কৌশল শেখাতে ডাকতে বলেছেন। এরপর কবি হুশিয়ারি দেন, তিনি সূর্যকে ঢেকে দিতে পারেন যে কোনাে সময় মেঘের আবরণে। কবি শেষে বললেন, সূর্যদেবের এখন অনেক বয়স হয়েছে তার এখন বিশ্রাম গ্রহণ করা উচিত, তার উচিত কোনাে গােপনীয় স্থানে আলাে প্রদান না করা। মােট কথা, এ কবিতায় কবি কৌতুক আর রহস্যচ্ছলে সূর্যের বিরুদ্ধে নানা অভিযােগ উত্থাপন করেছেন।

কাব্যিক মূল্যায়ন

জন ডানের সুললিত এই প্রেমের কবিতায় কবি সূর্যের প্রতি অভিযােগ করেছেন। সূর্যটা বড়ােই অবুঝ, ব্যস্ত আর দুরন্ত, একেবারেই অদ্ভুত আচরণ তার। সূর্য যেন প্রেমিক প্রেমিকার গােপনীয়তাকে মােটেই আমল দেয় না। সর্ব সময়ে প্রকাশ করে দেয় গােপন ভালােবাসা, জানালার পর্দা ভেদ করে ঢুকে পড়ে প্রেমিক প্রেমিকার নিরিবিলি করে। কবি বলছেন, হে সূর্য তুমি বিচার বুদ্ধিহীন হতভাগাদের কাছে যাও। আর যে সব বালকেরা দেরীতে বিদ্যালয়ে আসে তাদের গালি দাও, শিকারি ও কৃষকদের শিকার কর্মে আর কৃষি কর্মে ডাকো। সূর্য দেবকে হুশিয়ারী দিয়ে বললেন, আমি তােমার আলােক রশ্মি ঢেকে দিতে পারি মেঘের আবরণে। কিন্তু আমি আমার প্রেমিকা হতে চোখ সরাতে চাইনা, যদিনা তার দৃষ্টি পাতে তুমি অন্ধ না হয়ে যাও। দীর্ঘদিন পার হয়ে গেছে, এবার তােমার বিশ্রাম প্রয়ােজন। কিন্তু কর্তব্যও আছে তােমার পৃথিবীকে আলাে দান করার। মােট কথা কবি সূর্যকে নিষেধ করেছেন তার ভালােবাসায় যেন উকি দিয়ে জ্বালাতন না করে।

The Faerie Queene by Edmund Spenser এর কাব্যিক মূল্যায়ন ও সারমর্ম


The Fairy Queene : Book I : Canto I
কাব্যিক মূল্যায়ন

এডমন্ড স্পেনসারকৃত ভুবন বিখ্যাত গ্রন্থ “The Faerie Queene” প্রকাশিত হয় ১৫৯০ খ্রিষ্টাব্দে। বইটি তিনটি পর্বে প্রকাশিত হয়। মূলত ‘ফেয়ারি কুইন’ স্পেনসার রচনা করেছেন মহাকাব্যিক আবহে। এ কাব্যে একজন অনুগত ধর্মপ্রাণ, সৎ বীর নাইটের আখ্যান রচিত হয়েছে, যে নাইট রানির কাছে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে মানব কল্যাণে নিজেকে সমর্পণ করেছে। যে নাইট সর্বদা অকুতােভয়, সে ড্রাগনের সাথে, দানবের সাথে লড়াই করে জয়ী হয়, সহযােগিতা করে অত্যাচারিত মানুষদের, দুর্বলদের পাশে দাঁড়ায় বন্ধুর মতাে। এমনি এক দুঃসাহসী নীতি আদর্শের মূর্ত প্রতীক নাইটকে আশ্রয় করে রচিত হয়েছে এ বিশাল কাব্যের প্রথম পর্বটি।

কাব্যের শুরুতেই স্পেনসার জানান তিনি সারা জীবন রাখালিয়া গাঁথা, গ্রাম্য মেষপালকদের জীবনাচরণ, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা আর পল্লী প্রকৃতি নিয়ে কবিতা রচনা করেছেন। অথচ আজ তিনি বাধ্য হচ্ছেন কঠিন এক কর্ম করার তরে, কবি বলেন, তিনি আসলে গ্রাম্য গাঁথা রচনার কবি, তিনি প্রকৃতির কোমলরূপের প্রকাশ ঘটাতে সিদ্ধহস্ত, তিনি এমন জলদগম্ভীর, কঠিন ভাব গাম্ভীর্যতায় পরিপূর্ণ বীরগাথা অথবা মহাকাব্য রচনা করতে পারবেন না, তিনি বলেন, তিনি এই কর্মের উপযুক্ত নন। তিনি কাব্যকলার দেবীর প্রতি অনুরােধ জানিয়েছেন তার এ দায়িত্বভার যেন তিনি সঠিকভাবে পালন করতে পারেন, সহায়তা চেয়েছেন তিনি কাব্যকলার দেবীর কাছে।

কাব্যের শুরুতেই কবি রাজা আর্থারের বীর নাইটদের প্রসঙ্গ টেনে আনেন। কেমন করে একজন বীর নাইট একজন রূপসী নারী খুঁজতে গিয়ে চষে ফেলেছিল পুরােটা জগৎ। সেই সব মহতী নাইটদের গাঁথা রচনা করার জন্যই তিনি শক্তি চাইলেন চিরকুমারী সঙ্গীতের দেবীর কাছে। আর অন্য দিকে প্রেমের দেবতা কিউপিড আর সৌন্দর্যের দেবীর ভেনাসকেও আহবান করেছেন। শুধু তাই নয় তিনি যুদ্ধ দেবতা মার্সকেও পাশে চেয়েছেন সাহস জোগাতে। তিনি চাইছেন দেবতা মার্স যেন তাঁর মারমুখী স্বভাব ভুলে মানবের জয় গান গাইতে গাইতে হাজির হয় কবির সামনে। আর কবিও মার্সের সহায়তায় মহান মানবিক প্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে রচনা করবেন মহতী এক কাব্যগাঁথা।

তিনি ইংল্যান্ডের রানির জয়গান গেয়েছেন তাঁর কাব্যের সূচনাতে। তিনি রানির আশীর্বাদ চেয়েছেন, যেন রানির আশীর্বাদ তার দৃষ্টিতে আলােকও শিখা জ্বেলে দেয়। তিনি চান রানি দেবী উনার মতাে সবার সামনে প্রতিভাত হােক। তিনি মূলত রানি এলিজাবেথের কথাই বলেছেন। তিনি চাইছেন রানির আশীর্বাদ যেন তার কাব্য রচনার ক্ষেত্রে আশীর্বাদ হিসেবে ঝরে পড়ে।

কাব্যের প্রথম পর্ব উন্মােচিত হয় এক মহান বীর নাইটের যাত্রার মধ্য দিয়ে। যে নাইট সর্বদা পরিভ্রমণ করে সারা দেশ জুড়ে, মাঠ-ঘাট পথে-প্রান্তরে সহায়তা দেয় দুর্বলদের, অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে সদা লড়াইয়ে প্রস্তুত থাকে সে। গভীর আত্মবিশ্বাস আর প্রচণ্ড সাহস নিয়ে সামনে এগিয়ে চলেছে এ কাব্যের নাইট। যেকোনাে বিরূপ পরিস্থিতি, যেকোনাে দ্বন্দ্ব যুদ্ধে নিজেকে জড়াতে সর্বদা প্রস্তুত সে। মহতী এই নাইটের বুকে আছে মহান যিশুর ক্রুশ চিহ্ন। সে ক্রুশ চিহ্ন রক্তের রঙে অংকিত। এতে বােঝা যায়, নাইট মহান যিশুর অনুগামী, আর তাঁর কর্মকাণ্ডেও নাইট এ পথের অনুগামী। মানব কল্যাণই যেন তার প্রধান ব্রত। | নাইট রানি গ্লোরিয়ানার কাছে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে মাঠে নেমেছে, এ বীর যােদ্ধা সদা রানির আদেশ মতােই মানব কল্যাণে নিজেকে নিয়ােজিত করেছে। রানি যেন অলক্ষ্যে তাকে জোগায় সাহস আর অনুপ্রেরণা। রানির অনুপ্রেরণায় সে যে কোনাে বিপদে সর্বদা ঝাঁপিয়ে পড়তে প্রস্তুত। যুদ্ধ করতে প্রস্তুত সদা ড্রাগন আর ভয়াল জীবদের বিরুদ্ধে।

এগিয়ে চলেছে নাইট আগে আগে, তারই পিছে সাদা ধবধবে এক গাধায় বসে যাচ্ছে এক রূপসী যুবতী, মােহনীয় রূপের অধিকারী এই রমণী মূলত এক রাজার কন্যা, যে রাজার পুরাে রাজ্যপাট ধ্বংস করেছে ড্রাগন, নিহত পুরাে রাজপরিবার, শুধু নাইট উদ্ধার করে এনেছেন এই রাজকন্যাকে যার নাম উনা। উনা আর এক বামনাকৃতির ভাড়সদৃশ মানুষ চলেছে নাইটের পেছনে পেছেনে। অকস্মাৎ প্রকৃতি বিরােধিতা করল, ঝর ঝর ধারায় নামল বৃষ্টি, নাইট আর কুমারী উনা দুজনেই গিয়ে ঠাই নিল এক নিরিবিলি নিরাপদ স্থানে। এখানে নিরিবিলিতে স্থান পেয়ে দুজনে যেন খুশিই হলাে। একে অপরকে আরাে কাছে থেকে কিছুটা জানার সুযােগ পেল তারা। দুজনের ঠাই হলাে নির্জন নিরিবিলি এক বাগিচায় যা লােক চক্ষু হতে দূরে। দুজনে নিজেদের দুর্যোগ হতে রক্ষা করতে ক্রমে ঢুকে গেল অরণ্যের গভীরে। চারপাশের প্রকৃতির অপরূপ শােভা মুগ্ধ করল দুজনকে। ঝড় জল থেমে গেলে নাইট আর রাজকন্যা উনা যাত্রা শুরু করল। কিন্তু তাদের যেন কোথায় ভুল হয়েছে, অরণ্য হতে বেরুতে পারছে না তারা, বার বার ভুল করে একই স্থানে পরিভ্রমণ করছে। এভাবে তারা ঘুরতে ঘুরতে হঠাৎ করেই সামনে পেয়ে গেল এক পাহাড়ি গুহা, তখন আঁধার নেমে এসেছে, নাইট দ্রুত চাইল সে গুহায় আশ্রয় নিতে।

রাজকন্যা উনা এই বলে সাবধান করল যে, ভুলের বশবর্তী হয়ে হঠাৎ করে কোনাে বিপদের মাঝে পা দেয়া চলবে না। অন্ধকার গুহায় দানব কিংবা কিই না কী আছে তা কে বলবে। অতএব যে কোনাে উদ্যোগ নেয়ার আগে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। নাইট জানালেন তার পক্ষে ভয় দেখে পিছু হটা লজ্জাকর ব্যাপার। নারী বললেন, 'অবশ্যই আপনার কথা ঠিক তবে চারপাশে ভালাে করে দেখে নেয়া উচিত। কারণ এ অরণ্য বড়ােই ভীতিকর অরণ্য মনে হয়। গােলক ধাঁধার কারণে, পথ ভুল হওয়ার কারণে রাজকন্যা উনা নাইটকে সতর্ক করেন যে, এমন গােলকধার মাঝে কোন গােপনীয় গুপ্ত রহস্য থাকাটা একেবারেই অস্বাভাবিক কোনাে ব্যাপার নয়। হঠাৎ করেই বামনাকৃতির লােকটা একটা হুঁশিয়ারি বাক্য উচ্চারণ করল এই বলে যে, এ অরণ্য মানুষের বাসের উপযােগী অরণ্য নয়, অতএব, এখান থেকে দ্রুত পালাও। কিন্তু নাইট এ ব্যাপারে সম্মত হলাে না, সে পালানাের ব্যাপারটাকে এক কাপুরুষােচিত ব্যাপার মনে করল। নাইট জানালেন তার পক্ষে কোনােক্রমেই এ ক্ষেত্র হতে পালানাে উচিত হবে না। নাইট তার স্বভাবসিদ্ধ সাহস নিয়ে এগুলাে অন্ধকার গুহার দিকে। নাইটের অস্ত্রের ঝিলিক গুহার অন্ধকার দূর করতেই এক দানবীয় দৃশ্যের অবতারণা হলাে তাঁর সামনে। নাইট দেখতে পেলেন, অর্ধেক সর্প আর অর্ধেক ভয়াল মানবীরূপী এক দানবী বসে আছে গুহার ভেতরে। যে দানবীর ঊর্ধ্বাংশ নারীদেহ আর নিম্নাঙ্গ পুরাে সাপ। বড়ই ভীতিকর সেই দৃশ্য। দানবী গুহার নােংরা মাটিতে শুয়ে ছিল, বিশাল লেজটা তার ছড়ানাে ছিল পুরাে গুহা জুড়ে। নাইট দেখলেন দানবীর শরীরে অনেক ক্ষত, নাইট বুঝতে পারলাে অনেক যুদ্ধের চিহ্ন শরীরে ধারণ করে আছে দানবী। হাজার হাজার ছানাপােনা একবার বের হচ্ছে তার মুখ হতে, আবার ঢুকে যাচ্ছে তার মুখগহ্বরে। নাইট মােটেই ভয় পেল
এই দানবীকে, প্রচণ্ড শক্তি নিয়ে আক্রমণ করল তাকে। শেষে জয়ী হলাে নাইট এই দানবীকে হত্যা করে। আবার শুরু হলাে যাত্রা, এবার আর কোনাে গােলকধাধা নয়, পথ পেয়ে গেল তারা সামনে এগুনাের।

পথ চলতে চলতে তারা পৌছল এসে এক সমতল ক্ষেত্রে, মনােরম, সবুজ বাগিচা ঘেরা এক স্থান, সেখানে তারা সাক্ষাৎ পেল এক সাধুজনের, যে সদা ঈশ্বর আরাধনায় মগ্ন। সেখানে সেই সাধুর আবাসে রাত কাটানাের প্রস্তুতি নিল তারা। সাধু আসলে ছিল একজন যাদুকর, প্রেত্মাতাদের কাজে লাগাত সে। দানবীর সাথে যুদ্ধ ক্লান্ত নাইট ঘুমিয়ে পড়লেন গভীর নিদ্রায়। তার ঘুমের মাঝে বৃদ্ধ যাদুকর প্রেতাত্মার সহায়তায় উনাকে নিয়ে এল স্বপ্নে। উনা এসে প্রেম নিবেদন করল নাইটের কাছে, চুম্বন প্রার্থনা করল। আসলে এ সবই ছিল ঐ সাধুরূপী যাদুকরের কীর্তি। কিন্তু নাইট নিজেকে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে আটকে রাখলেন, কামনা বাসনা হতে দূরে। নানা প্রলােভনেও নাইটকে যখন বাগে আনা গেল না তখন সে প্রেত্মতা সরে গেল সেখান থেকে। উনার রূপ ধরে নানা লীলালাস্য প্রদর্শন করতে গেলে নাইট উনার সম্মানে তাকে পাঠালেন বিশ্রাম নিতে। আসলে উনার কাছ থেকে নাইট নিজেকে নিরাপত্তার বলয়ে রাখলেন। এভাবেই শেষ হয় প্রথম সর্গ।

প্রথম সর্গে মূলত এডমন্ড স্পেনসার একজন মহৎপ্রাণ মানব দরদী বীর নাইটের শক্তিমত্তা তাঁর চিন্তা চেতনা তাঁর কর্মপ্রবাহের একটা প্রাথমিক চিত্র তুলে ধরার প্রয়াস পেয়েছেন। পাশাপাশি গৃহহারা, স্বজন হারা এক রাজকন্যাকে এনে দাঁড় করিয়েছেন তার পাশে, যে ছায়ারূপে বিরাজ করে সর্বদা নাইটের পাশে পাশে।

Edmund Spenser Life and Work in Bangla || এডমন্ড স্পেনসার এর জীবন ও সাহিত্যকর্ম



Edmund Spenser Life and Work

Edmund_Spenser_oil_painting
  • Born: 1552, London, England
  • Died: 1599, London, England
  • Occupation: Poet
  • Nationality: English
  • Notable Work: The Faerie Queene
See Spenser's other work in Bangla

১৫৫২ সালে এডমন্ড স্পেনসার লন্ডনে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পরিবার লিংকনশায়ার থেকে লন্ডনে এসেছিল। ১৫৬১ সালে স্পেনসার মার্চেন্ট টেইলরস বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ১৫৬৯ সালে প্রেমশুক হল ক্যামব্রিজ থেকে গ্রাজুয়েট হন এবং ক্যামব্রিজ থেকেই ১৫৭৬ সালে এম.এ ডিগ্রি লাভ করেন। ১৫৬৯ সালে তাঁর প্রথম প্রকাশনা Anonymous’-এর অনুবাদ প্রকাশিত হয়। ১৫৯৫ সালে তাঁর Amoretti and Epithalamion শিরােনামে বিখ্যাত সনেটগুচ্ছ প্রকাশিত হয়। ১৫৯৪ সালের জুন মাসে এলিজাবেথ বয়লি নামের এক সুন্দরী নারীর সাথে তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁর বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের মধ্যে Colin Clout's Come Home Againe (1595), Four Hymns (1596), The Faeire Queene বিশেষ উল্লেখযােগ্য। পেত্রার্কীয় সনেটের অনুসরণে প্রেমবিষয়ক সনেট রচনা করে তিনি ইংরেজি সাহিত্যে খ্যাতিমান হয়ে আছেন।

১৫৯৯ সালে এই মহান কবি পরলােকগমন করেন।

স্পেনসারের ‘Amoreti' কবিতাটি ১৫৯৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম প্রকাশিত হয়। প্রেমিক কর্তৃক প্রেমিকাকে লিখিত কিংবা নিবেদিত এই কবিতা। ধারণা করা হয় যে, এলিজাবেথ বয়লি নামের যে মহিলাকে কবি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করেন তাকে নিবেদিত কিংবা তাকে উদ্দেশ্য করেই লেখা এই কবিতাটি। স্পেনসার প্রেমবিষয়ক সনেট রচনাতেই হয়ত বেশি স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব করতেন। এদিকে এ কবিতা প্রকাশের পূর্বেই পেত্রার্কের Rime ইংরেজি কাব্যধারাকে স্পর্শ করেছে। পেত্রার্কীয় চিন্তাচেতনা ও ভাবধারা তখন ইংরেজ তরুণ কবিদের অনুপ্রাণিত করছে। পেত্রার্কীয় চেতনাকে আত্মস্থ করে ইংরেজি সনেটের ক্ষেত্রে একটি নতুন ধারার সূচনা করেন স্পেনসার তাঁর প্রেমবিষয়ক সনেটগুলাে রচনা করে। সমালােচকদের মতে, কবিতাটিতে যেন বর নতুন কনেবধূকে নিবেদন করছে তার হৃদয়ের আকুতি। প্রেমদেবতা কিউপিডের প্রসঙ্গও এসেছে কবিতাটিতে। প্রেমিকাকে দেবী হিসেবে চিত্রিত করেছেন স্পেনসার তাঁর এ কবিতায়। প্রেমিকাকে লিখিত লিপিগুলাে প্রেমের দেবীর হাত থেকেই এসেছে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। উপমা, উৎপ্রেক্ষা এবং পুরাণ ব্যবহারে কবিতাটি অসাধারণ সৌন্দর্যে দীপ্যমান।

Civil Disobedience by H.D. Thoreau Bangla Summery and Analysis (বাংলা সারমর্ম)

Civil Disobedience bangla, Civil Disobedience bangla translation, Civil Disobedience by Henry David Thoreau, translationbd, হেনরি ডেভিড থরো তার “Civil Disobedience” নামক প্রবন্ধে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে একজন নাগরিকের দায়িত্ত্ব বিশেষ করে তার নৈতিক দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা করেছেন।
Civil Disobedience by H.D. Thoreau Bangla Summery and Analysis

Civil Disobedience

by Henry David Thoreau

হেনরি ডেভিড থরো তার “Civil Disobedience” নামক প্রবন্ধে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে একজন নাগরিকের দায়িত্ত্ব বিশেষ করে তার নৈতিক দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা করেছেন। এই প্রবন্ধে তিনি তার নির্বাচনী কর প্রদানে অস্বীকৃতি জানানোর কারনে জেলখানায় যাওয়ার অভিজ্ঞতাও বর্ণনা করেন। তার কর না দেয়ার কারন এটা ছিল না যে তিনি এই কর দেয়ার সামর্থ রাখতেন না অথবা এটাও ছিল না যে তিনি কর পরিশোধের নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম করেছিলেন। তিনি এই কর না দেয়ার মাধ্যমে আসলে সরকারের কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে তার নৈতিক আপত্তি প্রকাশ করেছিলেন। আর এটাকে তিনি তার একটি নাগরিক দায়িত্ব মনে করেন। যেহেতু করই হল একজন নাগরিকের পক্ষ থেকে সরকারের কর্মকান্ডে সাহায্য করা ও বেগবান রাখার প্রধান রাস্তা তাই তিনি কর প্রদানে অস্বীকৃতি জানান।

থরো তার রচনাটি শুরু করেন বাস্তবে সরকারের কি ভূমিকা রয়েছে তা উল্লেখ করে। তিনি বিশ্বাস করেন যে সরকার কম শাষন করে সেটিই সর্বোত্তম সরকার। তিনি তার সমসাময়িক সরকারকে সমাজ ও ব্যাক্তি উভয়ের জন্যে একটি বাধা হিসেবে বিবেচনা করেছেন। কারন এর প্রধান লক্ষ্যই থাকে সামাজিক কাজ ও উন্নয়ন বাদ দিয়ে ব্যবসা বানিজ্য ও রাজিনীতির চিন্তা করা, মানুষকে সাহায্য করা নয়।

যদিও তিনি সরকারের সমালোচনা করছেন তাই বলে এর পরিবর্তে তিনি অরাজকতাকে সমর্থন করেন না। তিনি এই প্রবন্ধে উল্লেখ করেন তিনি সরকারের বিলোপ চান না বরং তিনি চান সরকার যাতে আরো উন্নততর ও কল্যানকর হয়ে ওঠে। তিনি এমন একটি সরকার চান যেটি ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় সর্বদা উদ্বিগ্ন থাকবে। তার দাবির স্বপক্ষে তিনি ন্যায়ের একটি ধারনা কল্প দাড় করান যার মূল বিষয় হল কেন একটি সরকারকে ন্যায়ের উপর দৃষ্টি রাখতে হবে।

থরোর মতে সত্যিকার গণতন্ত্র মানে গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র নয় যেখানে সংখ্যাগুরুরা শাষন করবে। জনগন তার মতামত প্রকাশ করবে। আর এভাবেই সরকার তার কর্মকান্ড ও আঈন ঠিক করে নেবে। বেশিরভাগ সরকার দাবি করে যে তারাই আসল গণতান্ত্রিক কিন্তু তারা আসলে গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, যেখানে তারা তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করে যারা তাদের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নেবে। যার কারনে গণতন্ত্র অকার্যকর হয়ে যায়। আরো স্পষ্ট করে বললে বেশিরভাগ সিদ্ধান্ত সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিনিধির মাধ্যমে নেয়া হয়। সংখ্যালঘুরা তখন গণতন্ত্রের স্বাদ পায় না।

থরোর মতে ন্যায় কখনোই সংখ্যাগরিষ্ঠ শাষকগোষ্ঠীর মতের উপর নির্ভর করে না। এর উদাহরণ হল অ্যামেরিকান সরকার, যারা বিবেকের জন্যে কোন জায়গা রাখে নাই। তিনি তার কথার স্বপক্ষে উদাহরন টানেন যন্ত্রের মত আমেরিকার সৈন্যদের, যারা ন্যায় ও অন্যায় বাছবিচার না করেই সরকারের খায়েশ ও ইচ্ছাকে বাস্তবায়ন করছে।

যখন একটি সরকার এমন স্বৈরাচারী আচড়ন করে অথবা সরকারের কাজ দেখে মনে হয় জনগণের একটি বিশাল অংশ সরকারের দাসে পরিণত হয় তখন জনগণই একটি বিপ্লবের কারন হয়ে দাঁড়ায়। ভোটকে তিনি একটা খেলার মত দেখেছেন। একজন মানুষ তাকেই ভোট দেয় যাকে ভোট দেয়া তার সঠিক মনে হয়। কিন্তু সে যে আসলে সঠিক তার কতটুকু নিশ্চয়তা রয়েছে। সে এটা সংখ্যাগরিষ্ঠের উপর ছেড়ে দেয় কিন্তু তাদের মাঝে খুব কমই সদগুণাবলী বিদ্যমান থাকে। প্রচলিত রেওয়াজ দেখে যদি দেশের প্রধান নির্বাচন করা হয় তবে তা দেশের জন্যে কোন মঙ্গল বয়ে আনবে না।  

এরপর থরো দাস প্রথা নিয়ে লিখেন। তিনি এই দাসপ্রথার বিলোপ আশা করেন। তিনি মেক্সিকো যুদ্ধেও বিরুদ্ধে ছিলেন কারন এটি ছিল অন্যায় যুদ্ধ আর এখানে দাসপ্রথাকে প্রতিষ্ঠা করা হবে। তিনি খেয়াল করলেন এক বিশাল সংখ্যক জনগন তাদের বিবেককে সরকারের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে। তারা দেখতে পাচ্ছে সরকার একটি অন্যায় কাজে নেমেছে কিন্তু তারা প্রতিবাদ না করে সরকারকে আরো সাহায্য করছে। তিনি বলেন তারা যা করছে আমি তা করতে পারি না। আমি সরকারের এমন নীতির সাথে সম্মত হতে পারি না যা দাসপ্রথাকে বৈধতা দান করে এবং এই মন্দ নীতির প্রতিষ্ঠার জন্যে অন্য দেশকে আক্রমন করা হয়। এদিকে তিনি ম্যাসাচুসেটস এর ব্যাবসায়ী ও কৃষকদের উদাহরন টানেন যাদের অধিকাংশই সরকারের এই নীতির সাথে একাত্ততা পোষন করে কারন তারা নবজাতীর জন্যের ন্যায় প্রতিষ্ঠার চেয়ে টাকা তৈরীতে বেশী আগ্রহী।

দেশের পরিবর্তন ও পরিগঠনে এরাই সবচেয়ে বড় বাধা যারা সব কিছু বুঝেও এখনো সরকারকে অর্থনৈতিকভাবে ও তার সাথে সম্পর্ক রেখে সহায়তা করে যাচ্ছে। তিনি বলেন যদি কেউ কোন খারাপকে দূর করতে না পারে তবে তার প্রথম দায়িত্ব হচ্ছে এই খারাপ থেকে নিজের হাতকে ধুয়ে ফেলা এবং তাকে কোন ধরনের সাহায্য না করা। এবার প্রশ্ন করেন, তাহলে যারা দাসপ্রথা আর যুদ্ধের বিপক্ষে তাদের কি অবস্থা। তিনি নিজেই উত্তর দেন যে তারা এই কাজের জন্যে সামনে না এসে বরং অন্যের অপেক্ষা করছে যারা তাদের হয়ে প্রতিবাদ করবে। 

এই অন্যায় আইনের ব্যাপারে আমরা কয়েকটি উপায় অবলম্বন করতে পারি আর তা হল, হয় আমরা তা মেনে নিতে পারি বা সংশোধন করতে পারি অথবা যতক্ষন পর্যন্ত আমরা তা পরিবর্তন করতে না পারি ততক্ষন পর্যন্ত আমরা তা মেনে নিতে পারি। যদি অন্যায় করা সরকারী আইনের একটি অখন্ড উপাদানে পরিণত হয় তখন এটা আস্তে আস্তে ধ্বংশের দিকে চলে যায়। যদি আইন একজনকে দিয়ে অন্যের উপর অন্যায় করায় তবে সে আইন অবশ্যই ভেঙ্গে দেয়া উচিত।

রাষ্ট্র কখনো যার কাছে টাকা নেই তার উপর কর আরোপে দ্বিধা করে না। অন্য দিকে ধনীরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি হয়ে যায় যেগুলো তাদেরকে আরো ধনী করে তোলে। যত টাকা ততই নৈতিক গুনাবলীর অবনতি। ধনীরা কিভাবে টাকা খরচ করতে হবে সে ব্যাপারে মাথা ঘামায়।

জনগন সরকারের শাস্তিমূলক আচড়নে ভয় পায় কিন্তু লেখক সেরকম নন কারন তিনি সরকারের নিরাপত্তার উপর নির্ভর করেন না। তিনি অন্যায়ভাবে সম্পদও কুক্ষিগত করেননি যাতে করে তিনি অন্য ধনীদের মত এই ভয়ে তটস্থ থাকবেন সরকার হয়তো তার সম্পদ বাজেয়াপ্ত করবে। তিনি জানেন সরকার বড়জোর তাকে আর তার সন্তানদের কিছু সময় হয়তো হয়রানী করতে পারবে।  
লেখক ৬ বছর ধরে তার নির্বাচনি কর মাত্র ২ ডলার দিচ্ছিলেন না। এটা এজন্যে নয় যে তার টাকার অভাব বরং এটাকে তিনি অন্যায় ভেবেছেন। এর কারনে থরোকে জেলখানায় যেতে হয়েছে। তিনি মনে করেন সরকার তাকে জেলে পুরে আসলে নির্বুদ্ধিতার পরিচয় দিয়েছে। সরকার ভেবেছে যে তিনি একটি আত্মা ছাড়া রক্ত মাংশের মানুষ। সরকার তার দেহকে শাস্তি দিতে পারে কিন্তু তার আত্মাকে শাস্তি দিতে পারে না। সরকারের যতই শক্তি থাকুক মানুষের নৈতিক অনুভূতির সাথে সে যুদ্ধ করতে পারবে না।

থরো মনে করতেন যে বিশ্বাসের দিকে মানুষকে আহবান করেন সেটা পালন করতে হয়।  তাই তিনি নিজেই কেন ও কিভাবে কর দিতে অস্বীকৃতি জানালেন সে ব্যাপারে লিখলেন। আইন অমান্য করার কারনে তাকে একরাত জেলও খাটতে হয়েছে। জেলখানায় থাকা অবস্থায় তিনি বলার মত অপ্রীতিকর কিছু পাননি।  যাই হোক তিনি এক রাতের জন্যে জেলখানায় গেলেন। সেখানে তার কিছু নতুন অভিজ্ঞতা হয়েছিল। জেলখানায় তার কক্ষটি এবং তার কক্ষের সঙ্গী উভয়কেই তার পসন্দ হয়েছিল। জেলার তার সঙ্গীকে পরিচয় করিয়ে দিলেন একজন বুদ্ধিমান  ও প্রথম শ্রেণীর নাগরিক হিসেবে। তাদের কক্ষের তালা লাগানো হলে তার সঙ্গী তাকে দেখিয়ে দিলেন কোথায় কি রাখতে হবে বা জেলখানা বিষয় গুলো কিভাবে নিয়ন্ত্রন করা যায়। তারপর তার সঙ্গীকে তিনি জিজ্ঞাসা করলেন কিভাবে সে এখানে এসেছে। সে তাকে জবাব দেয় সে খড়ের গাদায় আগুন দেয়ার অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে কিন্তু সে তা করেনি। মূল ঘটনাটা ছিল এমন যে, সে একবার খড়ের গাদায় পাইপ টানতে টানতে ঘুমিয়ে পড়ে আর তার পাইপ থেকে সেখানে আগুন লেগে যায়। সে তার বিচারের জন্যে আজ প্রায় তিন মাস অপেক্ষা করছে। এখনো তার বিচার শুরু হয় নি তবে এখানে থেকে সে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছে। তার এখন আর তেমন কোন অসুবিধা হচ্ছে না।

তার এক রাতের কারাবাসের মাধ্যমেই অনেক পরিবর্তন সাধিত হয়।

  • প্রথম পরিবর্তন হল থরোর মনের পরিবর্তন। সে দুনিয়াকে নতুনরুপে দেখতে শুরু করে।
  • ২য় পরিবর্তন হল বাহিরের জগতে তার বন্ধু বান্ধব ও প্রতিবেশীর আচড়ন। তিনি এ সময় কে প্রকৃত বন্ধু আর কে সুসময়ের বন্ধু চিনতে পারেন।   

এরপর তিনি উল্লেখ করেন তার কর প্রদানে অক্ষমতার কারনে সরকার বা রাষ্ট্র তাকে নিয়ন্ত্রনের জন্যে জেলে পুরলেও তার মন কে তো আর নিয়ন্ত্রন করতে পারছে না। ইহা কখনোই তার নৈতিক অনুভূতিকে নিয়ন্ত্রন করতে পারবে না। এই নৈতিক অনুভূতিকে তিনি আখ্যা দেন ন্যায়ের অনুভূতি হিসেবে।

থরোর মতে জনগণের সরকারকে ক্ষমতার ব্যবহার করতে গেলে অবশ্যই জনগণের সম্মতি নিয়েই ব্যবহার করতে হবে। তিনি আরো লিখেন প্রত্যেক নাগরিকেরই যেমন এই অধিকার  আছে যে সরকারকে অর্থনৈতিক সাহায্য বন্ধ করার মাধ্যমে তার সম্মতি প্রত্যাহার ও বন্ধ করার তেমনি সমাজের একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে তার কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে।

তিনি আরো বলেন করের মাধ্যমে সরকারের প্রতি অর্থনৈতিক সাহায্য বন্ধ রাখা উচিত যতক্ষন না সরকার ন্যায়ের প্রতি দৃষ্টি না দেয়।

Prose (Masters) Code: 311111

Name Status
The American Scholar by Emerson Published
Civil Disobedience by H.D Thoreau Published
Shakespeare's Sister by Virginia Woolf Coming Soon
Tradition and Individual Talent by T.S Eliot Coming Soon
Literature and Society by F.R Leavis Coming Soon
Comment us if you need any translation, or visit to our Facebook Page.

The American Scholar by Emerson Bengali Summery (বাংলা সারমর্ম)

The American Scholar by Ralph Waldo Emerson Bangla Summery, ralph waldo emerson the american scholar, the american scholar emerson theme, ralph waldo emerson the american scholar summary, transcendentalism in the american scholar, the american scholar emerson analysis, the american scholar speech, the american scholar ralph waldo emerson summary, critical analysis of the american scholar by emerson, emerson's the american scholar summary and analysis

The Amarican Scholar by Ralph Waldo Emerson - Bangla Summary
দ্যা অ্যামেরিকান স্কলার -  রালফ ওয়ালডো এমারসন - বাংলা সারমর্ম


The American Scholar এটি র‍্যালফ ওয়ালডো এমারসন এর একটি বক্তৃতা। ১৮৩৭ সালের ৩১ আগষ্ট তিনি ফি বেটা কাপ্পা সোসাইটি নামক সংগঠনের আমন্ত্রনে ম্যাসাচুসেটস এর কেমব্রিজে অবস্থিত হার্ভার্ড কলেজে বক্তৃতা রাখেন। এমারসন হার্ভার্ড কলেজের সভাপতি ও ফি বেটা কাপ্পার সকল সদস্যকে স্বাগত জানিয়ে তার বক্তৃতা শুরু করে। তিনি এই সভাকে প্রাচীন গ্রীসের মল্ল যুদ্ধের প্রতিযোগিতা, মধ্যযুগীয় কাব্য প্রতিযোগিতা অথবা উনিশ শতকে ইউরোপে বিজ্ঞান বিষয়ক পন্ডিতদের সভার সাথে তুলনা করেন।

এই বক্তব্যে তিনি বলেন, আমেরিকা ৬০ বছর আগে স্বাধীন হলেও এই দেশে ইউরোপিয়ান সাংস্কৃতির প্রভাব লক্ষ করা যায়। এখনি সে সময়, আমেরিকাকে ইউরোপীয়ান প্রভাব থেকে মুক্ত হয়ে আমেরিকার নিজস্ব সাংস্কৃতিক পরিচয়ে পরিচিত হওয়া উচিত।

যেহেতু ফি বেটা কাপ্পা ছিল বুদ্ধিজীবীদের সংগঠন তাই তাদের কে ইউরোপিয়ান সাহিত্য ও ইতিহাসের উপর নির্ভর না করতে আহবান করেন। তিনি তাদের কাছে সাহিত্যের একটি রেনেসা সৃষ্টির প্রস্তাব রাখেন। যেখানে আমেরিকানরা তাদের সৃজনশীলতার অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে আমেরিকাকেই ব্যবহার করবে। এমারসন তার কথাকে বোঝাবার জন্যে একটি রুপকের আশ্রয় নেন। তিনি বলেন একজন মানুষ অনেক মানুষে ভাগ হয়ে যায়। এই ভাগ হয়ে যাওয়া মানুষেরা এই একজন মানুষ বা মানব জাতির জন্যে কাজ করতে থাকে অথচ এই কাজ গুলো এক জন মানুষের জন্যে অনেক কঠিন ছিল। এভাবেই সমাজের জন্ম হয়। তবে দুঃখের বিষয় হল এই মানুষের অংশ গুলো এতো বেশী ভাগ হয়ে গিয়েছে আর বর্তমানে ভাগ হয়ে যাওয়া অংশ গুলোকে আর এক করা যাচ্ছে না আর তারা অর্থাৎ হাত, পা, নাক ইত্যাদি প্রত্যেকেই নিজেদেরকে এক একটা আস্ত মানুষ মনে করছে।

এমারসন তার স্রোতাদের আজকের সভার উদ্দেশ্য স্মরণ করিয়ে দেন। আর তা হল একজন বিদ্বান বা পন্ডিত ব্যাক্তির শিক্ষা কতটুকু থাকা উচিত ও তার কাজ কি হওয়া উচিত। তাদের কে তিনি “Man Thinker”  হিসেবে সূচায়িত করেন। তাদেরকে তিনি “Mere Thinker”  হতে নিষেধ করেন যারা শুধু বই পড়ে কিন্তু তার নিজস্ব চিন্তা ভাবনা কে কাজে লাগিয়ে সেই বই এর সত্যাসত্য ও শিক্ষা কে যাচাই বাছাই করে দেখে না। তিনি বিদ্বান ব্যাক্তিকে প্রকৃতি, অতীতের জ্ঞানবান ব্যাক্তিদের লিখা বই ও তার বর্তমান কালের কাজের দ্বারা নিজের চিন্তাকে প্রভাবিত করতে বলেন।

ভূমিকা শেষ করে তিনি আমাদের মনের উপর প্রকৃতির গুরুত্ব ও প্রভাব সম্পর্কে বর্ণনা করেন। একজন পন্ডিত ব্যাক্তি প্রাকৃতিক বিশ্বকে পর্যবেক্ষনের মাধ্যমে জ্ঞান অর্জন করবেন। এটা করতে গিয়েই সে মন বা আত্মার সাথে প্রকৃতির মিল খুজে পাবেন। প্রকৃতি ও মানুষের আত্মা উভয়ের মাঝেই একটা আদি ও অন্ত বিহিন প্রবাহমান ক্ষমতা রয়েছে। যে কেউই আত্মা ও প্রকৃতির মাঝে একটি শৃঙ্খলা খুজে পাবে। প্রকৃতি সম্পর্কে অধ্যয়ন করার মাধ্যমে একজন ব্যাক্তি খুব সহজেই বুঝতে পারবে তার আত্মা সম্পর্কে তার জ্ঞান বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বক্তৃতার ২য় অংশে এমারসন একজন পন্ডিত ব্যাক্তির উপর বই পড়া ও অতীত বিষয়ক অধ্যয়নের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেন। অতীতের বইগুলো অনেক গুরুত্বপূর্ন তথ্য বহন করে কিন্তু  তারা বর্তমানে আমাদের উপর ভয়ঙ্কর প্রভাব ফেলতে পারে। তার এই চিন্তার কারন হচ্ছে অতীতের বই গুলোতে তাদের পূর্বের ভুল চিন্তাগুলো থাকতে পারে।  সকল সময়েই যত বই লিখা হয়েছে সে সময়ের সমাজ এর উপর প্রভাব ফেলেছে। এমারসন যুক্তি দেন সকল যুগ এবং সকল সমাজ তাদের নিজস্ব সত্যকে তৈরী করেছে। এমারসন মানুষের সৃজনশীল প্রতিভা ও তার মূল চিন্তাকে মূল্যায়ন করেন। বইপোকাদের মত চিন্তা ভাবনা না করে শুধু অতীতের জ্ঞান নিয়ে পড়ে থাকতে নিষেধ করেছেন। তিনি পূর্বোল্লেখিত ঝুকির কথা পুণরায় উল্লেখ করে বলেন এই ঝুকি সত্ত্বেও বই পড়ার মাঝে আনন্দ ও উপকার নিহিত রয়েছে যদি এটা সঠিক পন্থায় করা হয়। এই বইয়ে প্রাপ্ত জ্ঞান দার্শনিকদের চিন্তাকে আরো শাণিত করে তোলে। সকল জ্ঞানী মানুষদের বিজ্ঞান ও ইতিহাসের জ্ঞান থাকা উচিত। আর বিদ্যালয় গুলোর অবশ্যই পড়া মুখস্থ না করিয়ে বরং ছাত্রদের সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটানোতে মনোযোগী হওয়া উচিত। আমেরিকান বিদ্বান ব্যাক্তি অবশ্যই পূর্বের সময়ের বই পড়বে বিভিন্ন তথ্যের জন্যে  তারপর সেই বইয়ের তথ্য ও শিক্ষা সে তার নিজের মত করে চিন্তা করে সাজিয়ে নিবে।

বক্তৃতার ৩য় অংশে এমারসন উল্লেখ করেন একজন বিদ্বান ব্যাক্তিকে অবশ্যই শারীরিক ও মানসিক পরিশ্রমের সাথে যুক্ত থাকা উচিত। বিদ্বান ব্যাক্তি এমন কোন মানুষ হবেন না যিনি দূর্বল শারীরিক কাঠামোর অধিকারী বরং তিনি হবেন শক্ত ও সামর্থবান। যদিও শারীরিক সামর্থ গুরুত্বের দিক দিয়ে গৌণ কিন্তু এটা খুবই প্রয়োজনীয়।

মানুষের অতীতের কাজ গুলোই এক সময় চিন্তায় পরিবর্তিত হয়। আমাদের বর্তমানের কাজ গুলোই সময়ের আবর্তনে এক সময় চিন্তায় রুপান্তরিত হবে যেমন লার্ভা বা শূককীটের সময় লাগে প্রজাপতিতে রুপান্তরিত হতে।  শারীরিক ও মানসিক কর্মকান্ডের ভিতর একজন বিদ্বান ব্যাক্তির আদর্শ জীবন পরিবর্তিত হয়। শারীরিক ও মানসিক কর্মকান্ডের ভারসাম্যই বিদ্বান ব্যাক্তিকে একজন শক্তিশালী চরিত্ররুপে গড়ে তোলে।

৪র্থ অংশে ইমারসন সমাজে একজন আমেরিকান বিদ্বান ব্যাক্তির দায়িত্ব ও কর্তব্য নিয়ে আলোচনা করেন। প্রথমত একজন বিদ্বান ব্যাক্তিকে জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে নিজের উপর আত্মবিশ্বাস তৈরী করতে হবে যাতে করে সে একটি জ্ঞান ভান্ডার হিসেবে পরিগণিত হয়। বিদ্বানকে হতে হবে সকল প্রকার ও সকল শ্রেণীর মানুষের কাছে জ্ঞানের নির্যাস ও সার্বজনীন ধারনা পৌছাতে সক্ষম ব্যাক্তি।

সর্বশেষ অংশে তিনি তার বক্তৃতায় আগের যুগের পশ্চিমা সভ্যতার চিন্তা বাদ দিয়ে বরং অতীন্দ্রিয় দর্শনের উপর গুরুত্ব দিয়েছেন বলে তিনি স্রোতাদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। তিনি আমেরিকান সভ্যতার উন্নয়নকে একটি শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্কে উন্নয়নের সাথে তুলনা করেছেন। এরপর তিনি আঠারো শতকের প্রথম অংশকে উল্লেখ করেন এমন একটি সময় হিসেবে যখন প্রশ্ন করে অসন্তোষ ছাড়া কিছুই পাওয়া যেত না। আর বর্তমান সময় অর্থাৎ যখন তিনি বক্তব্য দিচ্ছেন ইহাকে তিনি এক নতুন সময়ের সাথে তুলনা করেন।

এই অংশের শেষ অনুচ্ছেদে তিনি ব্যাক্তির গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বিশ্বাস করেন যে আমেরিকানরা ব্যাক্তির উপর জোড় দেয়। তার “Self Reliance”  নামক প্রবন্ধের কথা তুলে ধরেন সেখানে তিনি বলেছেন ব্যাক্তির উপর গুরুত্বারোপ একেবারেই একটা আমেরিকান চিন্তাধারা। তিনি আমেরিকান বিদ্বানদের তাদের এই নতুন জ্ঞানকে সাহসীকতার সাথে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিতে উৎসাহিত করেন।

ভবিষ্যত পৃথিবীকে পরিবর্তনের দায়িত্বের কথা তাদেরকে স্মরণ করিয়ে দেন আর বলেন এখন সিদ্ধান্ত তাদের, তারা কি চিন্তাশীল মানুষ হবেন নাকি অন্ধের মত অতীতের নিয়মনীতি অনুসরণ করবেন।

Prose (Masters) Code: 311111

Name Status
The American Scholar by Emerson Published
Civil Disobedience by H.D Thoreau Published
Shakespeare's Sister by Virginia Woolf Coming Soon
Tradition and Individual Talent by T.S Eliot Coming Soon
Literature and Society by F.R Leavis Coming Soon
Comment us if you need any translation, or visit to our Facebook Page.