Thursday, May 28, 2020

Holy Sonnets: Death be not Proud by John Donne Bangla Translation

Holy Sonnets: Death, be not proud, though some have called thee, Mighty and dreadful, for thou art not so, bangla translation, TranslationBD
Holy Sonnets: Death be not Proud by John Donne Bangla Translation

Holy Sonnets: Death, be not proud

Death, be not proud, though some have called thee
Mighty and dreadful, for thou art not so;
For those whom thou think'st thou dost overthrow
Die not, poor Death, nor yet canst thou kill me.
From rest and sleep, which but thy pictures be,
Much pleasure; then from thee much more must flow,
And soonest our best men with thee do go,
Rest of their bones, and soul's delivery.
Thou art slave to fate, chance, kings, and desperate men,
And dost with poison, war, and sickness dwell,
And poppy or charms can make us sleep as well
And better than thy stroke; why swell'st thou then?
One short sleep past, we wake eternally
And death shall be no more; Death, thou shalt die.

বাংলা অনুবাদ

গর্বিত হয়ােনা হে মৃত্যু, কেউ কেউ বলে
তুমি এতােটা শক্তিমান আর ভয়াল নও,
কেউ বলে এটা মৃত্যু নয়, ধ্বংস হয় না অনন্ত জীবন
নিঃশেষ করতে পারাে না তুমি, মৃত্যু তাে এক ধরনের নিদ্রা।
মৃত্যুর ছবি সে তাে চিরকালীন বিশ্রাম আরামের স্থান,
যে কারণে পুণ্যবান মানুষেরা মরে যুবা কালে,
মৃত্যু তাদের শরীরের কারাগার হতে আত্মাকে মুক্ত করে,
এ কারণে মােরা মৃত্যুকে বলবােনা বড়ােই ভয়াল।
মৃত্যুর দ্বারে ক্রীতদাস, অভাজন রাজার ক্ষমতা সকলই সমান।
বিষ, আফিমের নেশা, যুদ্ধাহত এসব হতেও অতি উঁচুমানের নিদ্রা এই মরণ
ও সবের চাইতে মরণকেই কেন বা জানাবােনা স্বাগতম?
মৃত্যুর পরে কবরে সে তাে স্বল্পকালীন নিদ্রা
যখন মােদের স্বর্গে হবে ঠাই তখন মৃত্যু আর পাবে না নাগাল,
মৃত্যুই শেষ কথা নয়, মৃত্যুর পরও আত্মা রবে জেগে।

কবিতার সারসংক্ষেপ

কবি জন ডান রচিত “Holy Sonnets” গুচ্ছের এটি দশম কবিতা। কবি এখানে মৃত্যুর প্রসঙ্গ টেনে বলেছেন; অনেকেই বলে মৃত্যু অতােটা ভয়াল আর শক্তিমান নয়। কবি মনে করেন মৃত্যু এসে কখনােই অনন্ত জীবনকে ধ্বংস করতে পারে না। কবির মতে, মৃত্যু হচ্ছে স্বল্পকালীন কবর গৃহের নিদ্রা মাত্র, কিন্তু সামনে পড়ে আছে আছে অনন্ত স্বর্গীয় জীবন। কবি মনে করেন, মৃত্যু আসলে দেহের কারাগার হতে আত্মাকে মুক্ত করে, আত্মা মিলে যায় অনন্ত জীবন যাত্রায়, এ কারণে পুণ্যবান যুবারা অকালেই প্রাণ ত্যাগ করে। মৃত্যুর দরােজায় রাজা, ক্রীতদাস, অভাজন সবাই সমান। বিষের দাহ, আফিমের নেশায় মরণের কোলে ঢলে পড়ার চাইতে এই মৃত্যুকেই কবি স্বাগত জানিয়েছেন। কবি মনে করেন; মৃত্যুতে আত্মা শুধুমাত্র তাঁর খােলস বদলায়, অর্থাৎ দেহ পড়ে থাকে, আত্মা গিয়ে মিলিত হয় স্বর্গলােকে। কবি বলেন, ইহলৌকিক জীবনযাত্রা কিছু নয় পরলােকের অনন্ত জীবনটাই আসল, যেখানে মৃত্যুও যেতে ব্যর্থ হবে। অনন্ত স্বর্গলােকে ঠাই হলে আত্মার নাগাল পাবে না মৃত্যু। কবি এ কবিতার মধ্য দিয়ে আত্মার অবিনশ্বরতার কথা বােঝাতে চেয়েছেন।

কাব্যিক মূল্যায়ন

কবি জন ডান তাঁর “Death be not Proud” শীর্ষক কবিতায় মৃত্যুর স্বরূপ ও মহিমার প্রকাশ ঘটিয়েছেন। মৃত্যু যে শক্তিধারী ভয়াল কোনাে বিষয় নয় বরং শান্তির নিদ্রা এবং দেহের মৃত্যু হলেও আত্মার যে মৃত্যু ঘটে না সে সম্পর্কে জোরালাে যুক্তি তুলে ধরার প্রয়াস পেয়েছেন। কবি প্রথমেই জানান দেন, মৃত্যুকে ভয়ের কিছু নেই কারণ মৃত্যু কোনাে ভয়াল বিষয় নয় আর প্রচণ্ড শক্তিমানও নয়। মৃত্যু হচ্ছে শরীরী মৃত্যু এতে শুধু জৈবিক দেহটারই পতন ঘটে, আত্মা তাে অবিনশ্বর, আত্মার মৃত্যু ঘটে না কখনােই। কবি ইঙ্গিত করেন, মৃত্যু হচ্ছে কবরস্থানে কিছুকাল পরম শান্তিতে দ্রিার ব্যাপার। এরপরই আছে অনন্ত জীবন যাত্রা। জীবন কখনােই নিঃশেষ হয় না। মৃত্যুর গভীর দ্রিা পার হয়ে আত্মার স্থান হয় স্বর্গলােকে। দেহের কারাগার হতে আত্মা বের হয়ে যাত্রা করে অনন্ত লােকে, শেষে স্থিত হয় স্বর্গলােকে, কবি বলেন, এ কারণেই পুণ্যবান মানুষেরা যুবাকালেই ঢলে পড়ে মৃত্যুর কোলে। মৃত্যু এসে তাদের জীবনকে দেয় চূড়ান্ত মহিমা, তাদের স্থান হয় স্বর্গলােকে। এখানে মৃত্যু সম্পর্কে একটি অমােঘ সত্যি বাণী উচ্চারণ করেন কবি, সেটি হলাে, মৃত্যুর সামনে ক্রীতদাস, অভাজন, রাজা সবাই সমান। সব স্তরের মানবের মৃত্যুর চেহারা একই রূপ পরিগ্রহ করে। বিষজ্বালায়, আফিমের নেশায়, যুদ্ধে আহত হয়ে মৃত্যুর চাইতে এই সহজ সরল নিরাভরণ মৃত্যু অনেক শ্রেষ্ঠমানের, তাহলে এই সহজ সরল মৃত্যুকে কেন স্বাগত জানাবাে না? কবি বলেন, মৃত্যু সেতাে অল্প সময়ের দ্রিার ব্যাপার। দ্রিা হতে জাগরণ শেষে শুরু হবে আসল সত্যিকার জীবন যাত্রা। কবি বলেন আত্মার যখন স্বর্গলােকে ঠাই হবে তখন আর কোনাে জরা ব্যাধি মৃত্যু তার ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারবে না, সে জীবন হলাে অনন্ত এক পুণ্যতর মহাজীবন যাত্রা। কবি এ কারণে উচ্চারণ করেন দৈহিক মৃত্যুটাই শেষ কথা নয়। মৃত্যুর পরও অনন্তলােকে স্বর্গীয় মহিমা নিয়ে আত্মা চির জাগরুক থাকে।

Friday, May 22, 2020

The Sun Rising by John Donne বাংলা অনুবাদ, সারসংক্ষেপ ও কাব্যিক মূল্যায়ন


Busy old fool, unruly sun,
               Why dost thou thus,
Through windows, and through curtains call on us?
Must to thy motions lovers' seasons run?
               Saucy pedantic wretch, go chide
               Late school boys and sour prentices,
         Go tell court huntsmen that the king will ride,
         Call country ants to harvest offices,
Love, all alike, no season knows nor clime,
Nor hours, days, months, which are the rags of time.

               Thy beams, so reverend and strong
               Why shouldst thou think?
I could eclipse and cloud them with a wink,
But that I would not lose her sight so long;
               If her eyes have not blinded thine,
               Look, and tomorrow late, tell me,
         Whether both th' Indias of spice and mine
         Be where thou leftst them, or lie here with me.
Ask for those kings whom thou saw'st yesterday,
And thou shalt hear, All here in one bed lay.

               She's all states, and all princes, I,
               Nothing else is.
Princes do but play us; compared to this,
All honor's mimic, all wealth alchemy.
               Thou, sun, art half as happy as we,
               In that the world's contracted thus.
         Thine age asks ease, and since thy duties be
         To warm the world, that's done in warming us.
Shine here to us, and thou art everywhere;
This bed thy center is, these walls, thy sphere.

Notes:

  • prentices apprentices
  • the king will ride James I, the king of England at the time of Donne’s writing, had a known passion for riding horses and hunting.
  • rags of time a figure of speech meaning that such things are passing and immaterial. Donne uses this phrase in one of his sermons.
  • reverend worthy of high respect
  • both th’ Indias of spice and mine the East Indies for spices and the West Indies for gold. In a 1623 letter to Sir Robert Ker, Donne wrote: “Your way into Spain was Eastward, and that is the way to the land of Perfumes and Spices; their way hither is Westward, and that is the way to the land of Gold, and of Mynes.” [John Donne: Selected Prose. Edited by Helen Gardner and Timothy Healy, p. 155]
  • alchemy figuratively, not the real thing. The speculative practice of alchemy involved a search for chemically turning base metals, such as iron, into highly valuable metals, such as gold.

The Sun Rising বাংলা অনুবাদ

              ব্যস্ত, বৃদ্ধ, বােকা, অবাধ্য সূর্য,
এমন কর কেন তুমি,
জানালা, পর্দা ভেদি এলে কেন আমাদের কাছে?
         তােমার গতির সাথে মিল রেখেই কি প্রেম করতে হবে?
উদ্ধত, দাম্ভিক, দুরাত্মা, যাও ভৎসনা কর।
              দেরি করা স্কুল বালকদের, বেয়াড়া শিক্ষানবীশদের,
যাও, রাজার শিকারিদের বল, রাজা যাবেন শিকারে,
         পিপড়াগুলােকে ডাক এবং শস্য কণা আহরণের কথা বল;
প্রেম, ইহার কোন কাল নেই, দেশ নেই,
                    ঘণ্টা নেই, দিনক্ষণ নেই, মাস নেই, এসবই তাে মহাকালের ছিন্ন ন্যাকড়া।

তােমার রশ্মি উজ্জ্বল, জোরাল
তুমি নিজেকে কি মনে কর?
আমি পারি ম্লান, মেঘাচ্ছন্ন করে দিতে এক পলকে তােমার সকল আলাে,
কিন্তু ততক্ষণ আমার প্রিয়ার সৃষ্টি হতে আমি বঞ্চিত হতে চাই না;
যদি তার দিঠিতে তােমার দিঠি অন্ধ না হয়ে যায়,
তবে আমাকে বল, আগামীকাল দিবাবসানে,
মশলা আর সােনার খনির দুই ইন্ডিজ
যেখানে তুমি রেখে এসেছিলে, সেখানে আছে? না কি এখানে আমার সাথে?
যেসব রাজাদের দেখেছিলে গতকাল,
তাদের কথা সবাই শােন, এখন তারা সবাই এই বিছানায়।

আমার প্রিয়াতে সকল রাষ্ট্র, আমিই সকল রাজকুমার,
অন্য কিছু নই।
রাজকুমারদের কর্ম তুচ্ছ খেলা, আমাদের তুলনায়,
নকল, সকল সম্মান, সকল সম্পদ।
সূর্য তুমি আমাদের সুখের অর্ধেক নিয়ে যাও,
কারণ সারা বিশ্ব এখানে সংকুচিত;
বৃদ্ধ বয়সে তােমার আরাম দরকার, যেহেতু তােমার কর্তব্য
পৃথিবীকে উষ্ণ রাখা, আমাদেরকে উষ্ণ রাখলেই সেটা হয়ে যাবে।
আমাদেরকে উদ্ভাসিত করলে সারা পৃথিবী উদ্ভাসিত হবে;
এই বিছানাটাই তাে তােমার কেন্দ্র, এই দেয়ালই তাে তােমার কক্ষপথ।

কবিতার সারসংক্ষেপ

কবি জন ডান তার “The Sun Rising” কবিতায় সূর্যের প্রতি অভিযােগ এনেছেন এইভাবে যে, সূর্যটা বড়ােই দুরন্ত আর অবুঝ। সূর্য সব গােপনীয় স্থানগুলােতে আলাে ফেলে। আলাে ফেলে আনাচে কানাচে সর্বত্র সে প্রেমিক প্রেমিকার গােপন দিকটিতেও আলাে ফেলে সব প্রকাশ করে ফেলে। কবি সূর্যকে উদ্দেশ্য করে বলেন, সূর্য যেন প্রেমিক প্রেমিকার বাসর শয্যায় উঁকি না দিয়ে, বিচার বুদ্ধিহীন মানুষদের কাছে উপস্থিত হয়। যে সব বালকেরা দেরিতে বিদ্যালয়ে আসে তাদের গালি দিতে বলেছেন কবি, কৃষকদের কৃষি কর্ম শেখাতে, শিকারিদের শিকারের কৌশল শেখাতে ডাকতে বলেছেন। এরপর কবি হুশিয়ারি দেন, তিনি সূর্যকে ঢেকে দিতে পারেন যে কোনাে সময় মেঘের আবরণে। কবি শেষে বললেন, সূর্যদেবের এখন অনেক বয়স হয়েছে তার এখন বিশ্রাম গ্রহণ করা উচিত, তার উচিত কোনাে গােপনীয় স্থানে আলাে প্রদান না করা। মােট কথা, এ কবিতায় কবি কৌতুক আর রহস্যচ্ছলে সূর্যের বিরুদ্ধে নানা অভিযােগ উত্থাপন করেছেন।

কাব্যিক মূল্যায়ন

জন ডানের সুললিত এই প্রেমের কবিতায় কবি সূর্যের প্রতি অভিযােগ করেছেন। সূর্যটা বড়ােই অবুঝ, ব্যস্ত আর দুরন্ত, একেবারেই অদ্ভুত আচরণ তার। সূর্য যেন প্রেমিক প্রেমিকার গােপনীয়তাকে মােটেই আমল দেয় না। সর্ব সময়ে প্রকাশ করে দেয় গােপন ভালােবাসা, জানালার পর্দা ভেদ করে ঢুকে পড়ে প্রেমিক প্রেমিকার নিরিবিলি করে। কবি বলছেন, হে সূর্য তুমি বিচার বুদ্ধিহীন হতভাগাদের কাছে যাও। আর যে সব বালকেরা দেরীতে বিদ্যালয়ে আসে তাদের গালি দাও, শিকারি ও কৃষকদের শিকার কর্মে আর কৃষি কর্মে ডাকো। সূর্য দেবকে হুশিয়ারী দিয়ে বললেন, আমি তােমার আলােক রশ্মি ঢেকে দিতে পারি মেঘের আবরণে। কিন্তু আমি আমার প্রেমিকা হতে চোখ সরাতে চাইনা, যদিনা তার দৃষ্টি পাতে তুমি অন্ধ না হয়ে যাও। দীর্ঘদিন পার হয়ে গেছে, এবার তােমার বিশ্রাম প্রয়ােজন। কিন্তু কর্তব্যও আছে তােমার পৃথিবীকে আলাে দান করার। মােট কথা কবি সূর্যকে নিষেধ করেছেন তার ভালােবাসায় যেন উকি দিয়ে জ্বালাতন না করে।

Tuesday, May 19, 2020

The Faerie Queene by Edmund Spenser এর কাব্যিক মূল্যায়ন ও সারমর্ম


The Fairy Queene : Book I : Canto I
কাব্যিক মূল্যায়ন

এডমন্ড স্পেনসারকৃত ভুবন বিখ্যাত গ্রন্থ “The Faerie Queene” প্রকাশিত হয় ১৫৯০ খ্রিষ্টাব্দে। বইটি তিনটি পর্বে প্রকাশিত হয়। মূলত ‘ফেয়ারি কুইন’ স্পেনসার রচনা করেছেন মহাকাব্যিক আবহে। এ কাব্যে একজন অনুগত ধর্মপ্রাণ, সৎ বীর নাইটের আখ্যান রচিত হয়েছে, যে নাইট রানির কাছে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে মানব কল্যাণে নিজেকে সমর্পণ করেছে। যে নাইট সর্বদা অকুতােভয়, সে ড্রাগনের সাথে, দানবের সাথে লড়াই করে জয়ী হয়, সহযােগিতা করে অত্যাচারিত মানুষদের, দুর্বলদের পাশে দাঁড়ায় বন্ধুর মতাে। এমনি এক দুঃসাহসী নীতি আদর্শের মূর্ত প্রতীক নাইটকে আশ্রয় করে রচিত হয়েছে এ বিশাল কাব্যের প্রথম পর্বটি।

কাব্যের শুরুতেই স্পেনসার জানান তিনি সারা জীবন রাখালিয়া গাঁথা, গ্রাম্য মেষপালকদের জীবনাচরণ, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা আর পল্লী প্রকৃতি নিয়ে কবিতা রচনা করেছেন। অথচ আজ তিনি বাধ্য হচ্ছেন কঠিন এক কর্ম করার তরে, কবি বলেন, তিনি আসলে গ্রাম্য গাঁথা রচনার কবি, তিনি প্রকৃতির কোমলরূপের প্রকাশ ঘটাতে সিদ্ধহস্ত, তিনি এমন জলদগম্ভীর, কঠিন ভাব গাম্ভীর্যতায় পরিপূর্ণ বীরগাথা অথবা মহাকাব্য রচনা করতে পারবেন না, তিনি বলেন, তিনি এই কর্মের উপযুক্ত নন। তিনি কাব্যকলার দেবীর প্রতি অনুরােধ জানিয়েছেন তার এ দায়িত্বভার যেন তিনি সঠিকভাবে পালন করতে পারেন, সহায়তা চেয়েছেন তিনি কাব্যকলার দেবীর কাছে।

কাব্যের শুরুতেই কবি রাজা আর্থারের বীর নাইটদের প্রসঙ্গ টেনে আনেন। কেমন করে একজন বীর নাইট একজন রূপসী নারী খুঁজতে গিয়ে চষে ফেলেছিল পুরােটা জগৎ। সেই সব মহতী নাইটদের গাঁথা রচনা করার জন্যই তিনি শক্তি চাইলেন চিরকুমারী সঙ্গীতের দেবীর কাছে। আর অন্য দিকে প্রেমের দেবতা কিউপিড আর সৌন্দর্যের দেবীর ভেনাসকেও আহবান করেছেন। শুধু তাই নয় তিনি যুদ্ধ দেবতা মার্সকেও পাশে চেয়েছেন সাহস জোগাতে। তিনি চাইছেন দেবতা মার্স যেন তাঁর মারমুখী স্বভাব ভুলে মানবের জয় গান গাইতে গাইতে হাজির হয় কবির সামনে। আর কবিও মার্সের সহায়তায় মহান মানবিক প্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে রচনা করবেন মহতী এক কাব্যগাঁথা।

তিনি ইংল্যান্ডের রানির জয়গান গেয়েছেন তাঁর কাব্যের সূচনাতে। তিনি রানির আশীর্বাদ চেয়েছেন, যেন রানির আশীর্বাদ তার দৃষ্টিতে আলােকও শিখা জ্বেলে দেয়। তিনি চান রানি দেবী উনার মতাে সবার সামনে প্রতিভাত হােক। তিনি মূলত রানি এলিজাবেথের কথাই বলেছেন। তিনি চাইছেন রানির আশীর্বাদ যেন তার কাব্য রচনার ক্ষেত্রে আশীর্বাদ হিসেবে ঝরে পড়ে।

কাব্যের প্রথম পর্ব উন্মােচিত হয় এক মহান বীর নাইটের যাত্রার মধ্য দিয়ে। যে নাইট সর্বদা পরিভ্রমণ করে সারা দেশ জুড়ে, মাঠ-ঘাট পথে-প্রান্তরে সহায়তা দেয় দুর্বলদের, অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে সদা লড়াইয়ে প্রস্তুত থাকে সে। গভীর আত্মবিশ্বাস আর প্রচণ্ড সাহস নিয়ে সামনে এগিয়ে চলেছে এ কাব্যের নাইট। যেকোনাে বিরূপ পরিস্থিতি, যেকোনাে দ্বন্দ্ব যুদ্ধে নিজেকে জড়াতে সর্বদা প্রস্তুত সে। মহতী এই নাইটের বুকে আছে মহান যিশুর ক্রুশ চিহ্ন। সে ক্রুশ চিহ্ন রক্তের রঙে অংকিত। এতে বােঝা যায়, নাইট মহান যিশুর অনুগামী, আর তাঁর কর্মকাণ্ডেও নাইট এ পথের অনুগামী। মানব কল্যাণই যেন তার প্রধান ব্রত। | নাইট রানি গ্লোরিয়ানার কাছে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে মাঠে নেমেছে, এ বীর যােদ্ধা সদা রানির আদেশ মতােই মানব কল্যাণে নিজেকে নিয়ােজিত করেছে। রানি যেন অলক্ষ্যে তাকে জোগায় সাহস আর অনুপ্রেরণা। রানির অনুপ্রেরণায় সে যে কোনাে বিপদে সর্বদা ঝাঁপিয়ে পড়তে প্রস্তুত। যুদ্ধ করতে প্রস্তুত সদা ড্রাগন আর ভয়াল জীবদের বিরুদ্ধে।

এগিয়ে চলেছে নাইট আগে আগে, তারই পিছে সাদা ধবধবে এক গাধায় বসে যাচ্ছে এক রূপসী যুবতী, মােহনীয় রূপের অধিকারী এই রমণী মূলত এক রাজার কন্যা, যে রাজার পুরাে রাজ্যপাট ধ্বংস করেছে ড্রাগন, নিহত পুরাে রাজপরিবার, শুধু নাইট উদ্ধার করে এনেছেন এই রাজকন্যাকে যার নাম উনা। উনা আর এক বামনাকৃতির ভাড়সদৃশ মানুষ চলেছে নাইটের পেছনে পেছেনে। অকস্মাৎ প্রকৃতি বিরােধিতা করল, ঝর ঝর ধারায় নামল বৃষ্টি, নাইট আর কুমারী উনা দুজনেই গিয়ে ঠাই নিল এক নিরিবিলি নিরাপদ স্থানে। এখানে নিরিবিলিতে স্থান পেয়ে দুজনে যেন খুশিই হলাে। একে অপরকে আরাে কাছে থেকে কিছুটা জানার সুযােগ পেল তারা। দুজনের ঠাই হলাে নির্জন নিরিবিলি এক বাগিচায় যা লােক চক্ষু হতে দূরে। দুজনে নিজেদের দুর্যোগ হতে রক্ষা করতে ক্রমে ঢুকে গেল অরণ্যের গভীরে। চারপাশের প্রকৃতির অপরূপ শােভা মুগ্ধ করল দুজনকে। ঝড় জল থেমে গেলে নাইট আর রাজকন্যা উনা যাত্রা শুরু করল। কিন্তু তাদের যেন কোথায় ভুল হয়েছে, অরণ্য হতে বেরুতে পারছে না তারা, বার বার ভুল করে একই স্থানে পরিভ্রমণ করছে। এভাবে তারা ঘুরতে ঘুরতে হঠাৎ করেই সামনে পেয়ে গেল এক পাহাড়ি গুহা, তখন আঁধার নেমে এসেছে, নাইট দ্রুত চাইল সে গুহায় আশ্রয় নিতে।

রাজকন্যা উনা এই বলে সাবধান করল যে, ভুলের বশবর্তী হয়ে হঠাৎ করে কোনাে বিপদের মাঝে পা দেয়া চলবে না। অন্ধকার গুহায় দানব কিংবা কিই না কী আছে তা কে বলবে। অতএব যে কোনাে উদ্যোগ নেয়ার আগে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। নাইট জানালেন তার পক্ষে ভয় দেখে পিছু হটা লজ্জাকর ব্যাপার। নারী বললেন, 'অবশ্যই আপনার কথা ঠিক তবে চারপাশে ভালাে করে দেখে নেয়া উচিত। কারণ এ অরণ্য বড়ােই ভীতিকর অরণ্য মনে হয়। গােলক ধাঁধার কারণে, পথ ভুল হওয়ার কারণে রাজকন্যা উনা নাইটকে সতর্ক করেন যে, এমন গােলকধার মাঝে কোন গােপনীয় গুপ্ত রহস্য থাকাটা একেবারেই অস্বাভাবিক কোনাে ব্যাপার নয়। হঠাৎ করেই বামনাকৃতির লােকটা একটা হুঁশিয়ারি বাক্য উচ্চারণ করল এই বলে যে, এ অরণ্য মানুষের বাসের উপযােগী অরণ্য নয়, অতএব, এখান থেকে দ্রুত পালাও। কিন্তু নাইট এ ব্যাপারে সম্মত হলাে না, সে পালানাের ব্যাপারটাকে এক কাপুরুষােচিত ব্যাপার মনে করল। নাইট জানালেন তার পক্ষে কোনােক্রমেই এ ক্ষেত্র হতে পালানাে উচিত হবে না। নাইট তার স্বভাবসিদ্ধ সাহস নিয়ে এগুলাে অন্ধকার গুহার দিকে। নাইটের অস্ত্রের ঝিলিক গুহার অন্ধকার দূর করতেই এক দানবীয় দৃশ্যের অবতারণা হলাে তাঁর সামনে। নাইট দেখতে পেলেন, অর্ধেক সর্প আর অর্ধেক ভয়াল মানবীরূপী এক দানবী বসে আছে গুহার ভেতরে। যে দানবীর ঊর্ধ্বাংশ নারীদেহ আর নিম্নাঙ্গ পুরাে সাপ। বড়ই ভীতিকর সেই দৃশ্য। দানবী গুহার নােংরা মাটিতে শুয়ে ছিল, বিশাল লেজটা তার ছড়ানাে ছিল পুরাে গুহা জুড়ে। নাইট দেখলেন দানবীর শরীরে অনেক ক্ষত, নাইট বুঝতে পারলাে অনেক যুদ্ধের চিহ্ন শরীরে ধারণ করে আছে দানবী। হাজার হাজার ছানাপােনা একবার বের হচ্ছে তার মুখ হতে, আবার ঢুকে যাচ্ছে তার মুখগহ্বরে। নাইট মােটেই ভয় পেল
এই দানবীকে, প্রচণ্ড শক্তি নিয়ে আক্রমণ করল তাকে। শেষে জয়ী হলাে নাইট এই দানবীকে হত্যা করে। আবার শুরু হলাে যাত্রা, এবার আর কোনাে গােলকধাধা নয়, পথ পেয়ে গেল তারা সামনে এগুনাের।

পথ চলতে চলতে তারা পৌছল এসে এক সমতল ক্ষেত্রে, মনােরম, সবুজ বাগিচা ঘেরা এক স্থান, সেখানে তারা সাক্ষাৎ পেল এক সাধুজনের, যে সদা ঈশ্বর আরাধনায় মগ্ন। সেখানে সেই সাধুর আবাসে রাত কাটানাের প্রস্তুতি নিল তারা। সাধু আসলে ছিল একজন যাদুকর, প্রেত্মাতাদের কাজে লাগাত সে। দানবীর সাথে যুদ্ধ ক্লান্ত নাইট ঘুমিয়ে পড়লেন গভীর নিদ্রায়। তার ঘুমের মাঝে বৃদ্ধ যাদুকর প্রেতাত্মার সহায়তায় উনাকে নিয়ে এল স্বপ্নে। উনা এসে প্রেম নিবেদন করল নাইটের কাছে, চুম্বন প্রার্থনা করল। আসলে এ সবই ছিল ঐ সাধুরূপী যাদুকরের কীর্তি। কিন্তু নাইট নিজেকে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে আটকে রাখলেন, কামনা বাসনা হতে দূরে। নানা প্রলােভনেও নাইটকে যখন বাগে আনা গেল না তখন সে প্রেত্মতা সরে গেল সেখান থেকে। উনার রূপ ধরে নানা লীলালাস্য প্রদর্শন করতে গেলে নাইট উনার সম্মানে তাকে পাঠালেন বিশ্রাম নিতে। আসলে উনার কাছ থেকে নাইট নিজেকে নিরাপত্তার বলয়ে রাখলেন। এভাবেই শেষ হয় প্রথম সর্গ।

প্রথম সর্গে মূলত এডমন্ড স্পেনসার একজন মহৎপ্রাণ মানব দরদী বীর নাইটের শক্তিমত্তা তাঁর চিন্তা চেতনা তাঁর কর্মপ্রবাহের একটা প্রাথমিক চিত্র তুলে ধরার প্রয়াস পেয়েছেন। পাশাপাশি গৃহহারা, স্বজন হারা এক রাজকন্যাকে এনে দাঁড় করিয়েছেন তার পাশে, যে ছায়ারূপে বিরাজ করে সর্বদা নাইটের পাশে পাশে।

Edmund Spenser Life and Work in Bangla || এডমন্ড স্পেনসার এর জীবন ও সাহিত্যকর্ম



Edmund Spenser Life and Work

Edmund_Spenser_oil_painting
  • Born: 1552, London, England
  • Died: 1599, London, England
  • Occupation: Poet
  • Nationality: English
  • Notable Work: The Faerie Queene
See Spenser's other work in Bangla

১৫৫২ সালে এডমন্ড স্পেনসার লন্ডনে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পরিবার লিংকনশায়ার থেকে লন্ডনে এসেছিল। ১৫৬১ সালে স্পেনসার মার্চেন্ট টেইলরস বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ১৫৬৯ সালে প্রেমশুক হল ক্যামব্রিজ থেকে গ্রাজুয়েট হন এবং ক্যামব্রিজ থেকেই ১৫৭৬ সালে এম.এ ডিগ্রি লাভ করেন। ১৫৬৯ সালে তাঁর প্রথম প্রকাশনা Anonymous’-এর অনুবাদ প্রকাশিত হয়। ১৫৯৫ সালে তাঁর Amoretti and Epithalamion শিরােনামে বিখ্যাত সনেটগুচ্ছ প্রকাশিত হয়। ১৫৯৪ সালের জুন মাসে এলিজাবেথ বয়লি নামের এক সুন্দরী নারীর সাথে তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁর বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের মধ্যে Colin Clout's Come Home Againe (1595), Four Hymns (1596), The Faeire Queene বিশেষ উল্লেখযােগ্য। পেত্রার্কীয় সনেটের অনুসরণে প্রেমবিষয়ক সনেট রচনা করে তিনি ইংরেজি সাহিত্যে খ্যাতিমান হয়ে আছেন।

১৫৯৯ সালে এই মহান কবি পরলােকগমন করেন।

স্পেনসারের ‘Amoreti' কবিতাটি ১৫৯৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম প্রকাশিত হয়। প্রেমিক কর্তৃক প্রেমিকাকে লিখিত কিংবা নিবেদিত এই কবিতা। ধারণা করা হয় যে, এলিজাবেথ বয়লি নামের যে মহিলাকে কবি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করেন তাকে নিবেদিত কিংবা তাকে উদ্দেশ্য করেই লেখা এই কবিতাটি। স্পেনসার প্রেমবিষয়ক সনেট রচনাতেই হয়ত বেশি স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব করতেন। এদিকে এ কবিতা প্রকাশের পূর্বেই পেত্রার্কের Rime ইংরেজি কাব্যধারাকে স্পর্শ করেছে। পেত্রার্কীয় চিন্তাচেতনা ও ভাবধারা তখন ইংরেজ তরুণ কবিদের অনুপ্রাণিত করছে। পেত্রার্কীয় চেতনাকে আত্মস্থ করে ইংরেজি সনেটের ক্ষেত্রে একটি নতুন ধারার সূচনা করেন স্পেনসার তাঁর প্রেমবিষয়ক সনেটগুলাে রচনা করে। সমালােচকদের মতে, কবিতাটিতে যেন বর নতুন কনেবধূকে নিবেদন করছে তার হৃদয়ের আকুতি। প্রেমদেবতা কিউপিডের প্রসঙ্গও এসেছে কবিতাটিতে। প্রেমিকাকে দেবী হিসেবে চিত্রিত করেছেন স্পেনসার তাঁর এ কবিতায়। প্রেমিকাকে লিখিত লিপিগুলাে প্রেমের দেবীর হাত থেকেই এসেছে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। উপমা, উৎপ্রেক্ষা এবং পুরাণ ব্যবহারে কবিতাটি অসাধারণ সৌন্দর্যে দীপ্যমান।

Wednesday, May 13, 2020

Civil Disobedience by H.D. Thoreau Bangla Summery and Analysis (বাংলা সারমর্ম)

Civil Disobedience bangla, Civil Disobedience bangla translation, Civil Disobedience by Henry David Thoreau, translationbd, হেনরি ডেভিড থরো তার “Civil Disobedience” নামক প্রবন্ধে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে একজন নাগরিকের দায়িত্ত্ব বিশেষ করে তার নৈতিক দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা করেছেন।
Civil Disobedience by H.D. Thoreau Bangla Summery and Analysis

Civil Disobedience

by Henry David Thoreau

হেনরি ডেভিড থরো তার “Civil Disobedience” নামক প্রবন্ধে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে একজন নাগরিকের দায়িত্ত্ব বিশেষ করে তার নৈতিক দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা করেছেন। এই প্রবন্ধে তিনি তার নির্বাচনী কর প্রদানে অস্বীকৃতি জানানোর কারনে জেলখানায় যাওয়ার অভিজ্ঞতাও বর্ণনা করেন। তার কর না দেয়ার কারন এটা ছিল না যে তিনি এই কর দেয়ার সামর্থ রাখতেন না অথবা এটাও ছিল না যে তিনি কর পরিশোধের নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম করেছিলেন। তিনি এই কর না দেয়ার মাধ্যমে আসলে সরকারের কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে তার নৈতিক আপত্তি প্রকাশ করেছিলেন। আর এটাকে তিনি তার একটি নাগরিক দায়িত্ব মনে করেন। যেহেতু করই হল একজন নাগরিকের পক্ষ থেকে সরকারের কর্মকান্ডে সাহায্য করা ও বেগবান রাখার প্রধান রাস্তা তাই তিনি কর প্রদানে অস্বীকৃতি জানান।

থরো তার রচনাটি শুরু করেন বাস্তবে সরকারের কি ভূমিকা রয়েছে তা উল্লেখ করে। তিনি বিশ্বাস করেন যে সরকার কম শাষন করে সেটিই সর্বোত্তম সরকার। তিনি তার সমসাময়িক সরকারকে সমাজ ও ব্যাক্তি উভয়ের জন্যে একটি বাধা হিসেবে বিবেচনা করেছেন। কারন এর প্রধান লক্ষ্যই থাকে সামাজিক কাজ ও উন্নয়ন বাদ দিয়ে ব্যবসা বানিজ্য ও রাজিনীতির চিন্তা করা, মানুষকে সাহায্য করা নয়।

যদিও তিনি সরকারের সমালোচনা করছেন তাই বলে এর পরিবর্তে তিনি অরাজকতাকে সমর্থন করেন না। তিনি এই প্রবন্ধে উল্লেখ করেন তিনি সরকারের বিলোপ চান না বরং তিনি চান সরকার যাতে আরো উন্নততর ও কল্যানকর হয়ে ওঠে। তিনি এমন একটি সরকার চান যেটি ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় সর্বদা উদ্বিগ্ন থাকবে। তার দাবির স্বপক্ষে তিনি ন্যায়ের একটি ধারনা কল্প দাড় করান যার মূল বিষয় হল কেন একটি সরকারকে ন্যায়ের উপর দৃষ্টি রাখতে হবে।

থরোর মতে সত্যিকার গণতন্ত্র মানে গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র নয় যেখানে সংখ্যাগুরুরা শাষন করবে। জনগন তার মতামত প্রকাশ করবে। আর এভাবেই সরকার তার কর্মকান্ড ও আঈন ঠিক করে নেবে। বেশিরভাগ সরকার দাবি করে যে তারাই আসল গণতান্ত্রিক কিন্তু তারা আসলে গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, যেখানে তারা তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করে যারা তাদের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নেবে। যার কারনে গণতন্ত্র অকার্যকর হয়ে যায়। আরো স্পষ্ট করে বললে বেশিরভাগ সিদ্ধান্ত সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিনিধির মাধ্যমে নেয়া হয়। সংখ্যালঘুরা তখন গণতন্ত্রের স্বাদ পায় না।

থরোর মতে ন্যায় কখনোই সংখ্যাগরিষ্ঠ শাষকগোষ্ঠীর মতের উপর নির্ভর করে না। এর উদাহরণ হল অ্যামেরিকান সরকার, যারা বিবেকের জন্যে কোন জায়গা রাখে নাই। তিনি তার কথার স্বপক্ষে উদাহরন টানেন যন্ত্রের মত আমেরিকার সৈন্যদের, যারা ন্যায় ও অন্যায় বাছবিচার না করেই সরকারের খায়েশ ও ইচ্ছাকে বাস্তবায়ন করছে।

যখন একটি সরকার এমন স্বৈরাচারী আচড়ন করে অথবা সরকারের কাজ দেখে মনে হয় জনগণের একটি বিশাল অংশ সরকারের দাসে পরিণত হয় তখন জনগণই একটি বিপ্লবের কারন হয়ে দাঁড়ায়। ভোটকে তিনি একটা খেলার মত দেখেছেন। একজন মানুষ তাকেই ভোট দেয় যাকে ভোট দেয়া তার সঠিক মনে হয়। কিন্তু সে যে আসলে সঠিক তার কতটুকু নিশ্চয়তা রয়েছে। সে এটা সংখ্যাগরিষ্ঠের উপর ছেড়ে দেয় কিন্তু তাদের মাঝে খুব কমই সদগুণাবলী বিদ্যমান থাকে। প্রচলিত রেওয়াজ দেখে যদি দেশের প্রধান নির্বাচন করা হয় তবে তা দেশের জন্যে কোন মঙ্গল বয়ে আনবে না।  

এরপর থরো দাস প্রথা নিয়ে লিখেন। তিনি এই দাসপ্রথার বিলোপ আশা করেন। তিনি মেক্সিকো যুদ্ধেও বিরুদ্ধে ছিলেন কারন এটি ছিল অন্যায় যুদ্ধ আর এখানে দাসপ্রথাকে প্রতিষ্ঠা করা হবে। তিনি খেয়াল করলেন এক বিশাল সংখ্যক জনগন তাদের বিবেককে সরকারের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে। তারা দেখতে পাচ্ছে সরকার একটি অন্যায় কাজে নেমেছে কিন্তু তারা প্রতিবাদ না করে সরকারকে আরো সাহায্য করছে। তিনি বলেন তারা যা করছে আমি তা করতে পারি না। আমি সরকারের এমন নীতির সাথে সম্মত হতে পারি না যা দাসপ্রথাকে বৈধতা দান করে এবং এই মন্দ নীতির প্রতিষ্ঠার জন্যে অন্য দেশকে আক্রমন করা হয়। এদিকে তিনি ম্যাসাচুসেটস এর ব্যাবসায়ী ও কৃষকদের উদাহরন টানেন যাদের অধিকাংশই সরকারের এই নীতির সাথে একাত্ততা পোষন করে কারন তারা নবজাতীর জন্যের ন্যায় প্রতিষ্ঠার চেয়ে টাকা তৈরীতে বেশী আগ্রহী।

দেশের পরিবর্তন ও পরিগঠনে এরাই সবচেয়ে বড় বাধা যারা সব কিছু বুঝেও এখনো সরকারকে অর্থনৈতিকভাবে ও তার সাথে সম্পর্ক রেখে সহায়তা করে যাচ্ছে। তিনি বলেন যদি কেউ কোন খারাপকে দূর করতে না পারে তবে তার প্রথম দায়িত্ব হচ্ছে এই খারাপ থেকে নিজের হাতকে ধুয়ে ফেলা এবং তাকে কোন ধরনের সাহায্য না করা। এবার প্রশ্ন করেন, তাহলে যারা দাসপ্রথা আর যুদ্ধের বিপক্ষে তাদের কি অবস্থা। তিনি নিজেই উত্তর দেন যে তারা এই কাজের জন্যে সামনে না এসে বরং অন্যের অপেক্ষা করছে যারা তাদের হয়ে প্রতিবাদ করবে। 

এই অন্যায় আইনের ব্যাপারে আমরা কয়েকটি উপায় অবলম্বন করতে পারি আর তা হল, হয় আমরা তা মেনে নিতে পারি বা সংশোধন করতে পারি অথবা যতক্ষন পর্যন্ত আমরা তা পরিবর্তন করতে না পারি ততক্ষন পর্যন্ত আমরা তা মেনে নিতে পারি। যদি অন্যায় করা সরকারী আইনের একটি অখন্ড উপাদানে পরিণত হয় তখন এটা আস্তে আস্তে ধ্বংশের দিকে চলে যায়। যদি আইন একজনকে দিয়ে অন্যের উপর অন্যায় করায় তবে সে আইন অবশ্যই ভেঙ্গে দেয়া উচিত।

রাষ্ট্র কখনো যার কাছে টাকা নেই তার উপর কর আরোপে দ্বিধা করে না। অন্য দিকে ধনীরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি হয়ে যায় যেগুলো তাদেরকে আরো ধনী করে তোলে। যত টাকা ততই নৈতিক গুনাবলীর অবনতি। ধনীরা কিভাবে টাকা খরচ করতে হবে সে ব্যাপারে মাথা ঘামায়।

জনগন সরকারের শাস্তিমূলক আচড়নে ভয় পায় কিন্তু লেখক সেরকম নন কারন তিনি সরকারের নিরাপত্তার উপর নির্ভর করেন না। তিনি অন্যায়ভাবে সম্পদও কুক্ষিগত করেননি যাতে করে তিনি অন্য ধনীদের মত এই ভয়ে তটস্থ থাকবেন সরকার হয়তো তার সম্পদ বাজেয়াপ্ত করবে। তিনি জানেন সরকার বড়জোর তাকে আর তার সন্তানদের কিছু সময় হয়তো হয়রানী করতে পারবে।  
লেখক ৬ বছর ধরে তার নির্বাচনি কর মাত্র ২ ডলার দিচ্ছিলেন না। এটা এজন্যে নয় যে তার টাকার অভাব বরং এটাকে তিনি অন্যায় ভেবেছেন। এর কারনে থরোকে জেলখানায় যেতে হয়েছে। তিনি মনে করেন সরকার তাকে জেলে পুরে আসলে নির্বুদ্ধিতার পরিচয় দিয়েছে। সরকার ভেবেছে যে তিনি একটি আত্মা ছাড়া রক্ত মাংশের মানুষ। সরকার তার দেহকে শাস্তি দিতে পারে কিন্তু তার আত্মাকে শাস্তি দিতে পারে না। সরকারের যতই শক্তি থাকুক মানুষের নৈতিক অনুভূতির সাথে সে যুদ্ধ করতে পারবে না।

থরো মনে করতেন যে বিশ্বাসের দিকে মানুষকে আহবান করেন সেটা পালন করতে হয়।  তাই তিনি নিজেই কেন ও কিভাবে কর দিতে অস্বীকৃতি জানালেন সে ব্যাপারে লিখলেন। আইন অমান্য করার কারনে তাকে একরাত জেলও খাটতে হয়েছে। জেলখানায় থাকা অবস্থায় তিনি বলার মত অপ্রীতিকর কিছু পাননি।  যাই হোক তিনি এক রাতের জন্যে জেলখানায় গেলেন। সেখানে তার কিছু নতুন অভিজ্ঞতা হয়েছিল। জেলখানায় তার কক্ষটি এবং তার কক্ষের সঙ্গী উভয়কেই তার পসন্দ হয়েছিল। জেলার তার সঙ্গীকে পরিচয় করিয়ে দিলেন একজন বুদ্ধিমান  ও প্রথম শ্রেণীর নাগরিক হিসেবে। তাদের কক্ষের তালা লাগানো হলে তার সঙ্গী তাকে দেখিয়ে দিলেন কোথায় কি রাখতে হবে বা জেলখানা বিষয় গুলো কিভাবে নিয়ন্ত্রন করা যায়। তারপর তার সঙ্গীকে তিনি জিজ্ঞাসা করলেন কিভাবে সে এখানে এসেছে। সে তাকে জবাব দেয় সে খড়ের গাদায় আগুন দেয়ার অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে কিন্তু সে তা করেনি। মূল ঘটনাটা ছিল এমন যে, সে একবার খড়ের গাদায় পাইপ টানতে টানতে ঘুমিয়ে পড়ে আর তার পাইপ থেকে সেখানে আগুন লেগে যায়। সে তার বিচারের জন্যে আজ প্রায় তিন মাস অপেক্ষা করছে। এখনো তার বিচার শুরু হয় নি তবে এখানে থেকে সে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছে। তার এখন আর তেমন কোন অসুবিধা হচ্ছে না।

তার এক রাতের কারাবাসের মাধ্যমেই অনেক পরিবর্তন সাধিত হয়।

  • প্রথম পরিবর্তন হল থরোর মনের পরিবর্তন। সে দুনিয়াকে নতুনরুপে দেখতে শুরু করে।
  • ২য় পরিবর্তন হল বাহিরের জগতে তার বন্ধু বান্ধব ও প্রতিবেশীর আচড়ন। তিনি এ সময় কে প্রকৃত বন্ধু আর কে সুসময়ের বন্ধু চিনতে পারেন।   

এরপর তিনি উল্লেখ করেন তার কর প্রদানে অক্ষমতার কারনে সরকার বা রাষ্ট্র তাকে নিয়ন্ত্রনের জন্যে জেলে পুরলেও তার মন কে তো আর নিয়ন্ত্রন করতে পারছে না। ইহা কখনোই তার নৈতিক অনুভূতিকে নিয়ন্ত্রন করতে পারবে না। এই নৈতিক অনুভূতিকে তিনি আখ্যা দেন ন্যায়ের অনুভূতি হিসেবে।

থরোর মতে জনগণের সরকারকে ক্ষমতার ব্যবহার করতে গেলে অবশ্যই জনগণের সম্মতি নিয়েই ব্যবহার করতে হবে। তিনি আরো লিখেন প্রত্যেক নাগরিকেরই যেমন এই অধিকার  আছে যে সরকারকে অর্থনৈতিক সাহায্য বন্ধ করার মাধ্যমে তার সম্মতি প্রত্যাহার ও বন্ধ করার তেমনি সমাজের একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে তার কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে।

তিনি আরো বলেন করের মাধ্যমে সরকারের প্রতি অর্থনৈতিক সাহায্য বন্ধ রাখা উচিত যতক্ষন না সরকার ন্যায়ের প্রতি দৃষ্টি না দেয়।

Prose (Masters) Code: 311111

Name Status
The American Scholar by Emerson Published
Civil Disobedience by H.D Thoreau Published
Shakespeare's Sister by Virginia Woolf Coming Soon
Tradition and Individual Talent by T.S Eliot Coming Soon
Literature and Society by F.R Leavis Coming Soon
Comment us if you need any translation, or visit to our Facebook Page.

Tuesday, May 12, 2020

The American Scholar by Emerson Bengali Summery (বাংলা সারমর্ম)

The American Scholar by Ralph Waldo Emerson Bangla Summery, ralph waldo emerson the american scholar, the american scholar emerson theme, ralph waldo emerson the american scholar summary, transcendentalism in the american scholar, the american scholar emerson analysis, the american scholar speech, the american scholar ralph waldo emerson summary, critical analysis of the american scholar by emerson, emerson's the american scholar summary and analysis

The Amarican Scholar by Ralph Waldo Emerson - Bangla Summary
দ্যা অ্যামেরিকান স্কলার -  রালফ ওয়ালডো এমারসন - বাংলা সারমর্ম


The American Scholar এটি র‍্যালফ ওয়ালডো এমারসন এর একটি বক্তৃতা। ১৮৩৭ সালের ৩১ আগষ্ট তিনি ফি বেটা কাপ্পা সোসাইটি নামক সংগঠনের আমন্ত্রনে ম্যাসাচুসেটস এর কেমব্রিজে অবস্থিত হার্ভার্ড কলেজে বক্তৃতা রাখেন। এমারসন হার্ভার্ড কলেজের সভাপতি ও ফি বেটা কাপ্পার সকল সদস্যকে স্বাগত জানিয়ে তার বক্তৃতা শুরু করে। তিনি এই সভাকে প্রাচীন গ্রীসের মল্ল যুদ্ধের প্রতিযোগিতা, মধ্যযুগীয় কাব্য প্রতিযোগিতা অথবা উনিশ শতকে ইউরোপে বিজ্ঞান বিষয়ক পন্ডিতদের সভার সাথে তুলনা করেন।

এই বক্তব্যে তিনি বলেন, আমেরিকা ৬০ বছর আগে স্বাধীন হলেও এই দেশে ইউরোপিয়ান সাংস্কৃতির প্রভাব লক্ষ করা যায়। এখনি সে সময়, আমেরিকাকে ইউরোপীয়ান প্রভাব থেকে মুক্ত হয়ে আমেরিকার নিজস্ব সাংস্কৃতিক পরিচয়ে পরিচিত হওয়া উচিত।

যেহেতু ফি বেটা কাপ্পা ছিল বুদ্ধিজীবীদের সংগঠন তাই তাদের কে ইউরোপিয়ান সাহিত্য ও ইতিহাসের উপর নির্ভর না করতে আহবান করেন। তিনি তাদের কাছে সাহিত্যের একটি রেনেসা সৃষ্টির প্রস্তাব রাখেন। যেখানে আমেরিকানরা তাদের সৃজনশীলতার অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে আমেরিকাকেই ব্যবহার করবে। এমারসন তার কথাকে বোঝাবার জন্যে একটি রুপকের আশ্রয় নেন। তিনি বলেন একজন মানুষ অনেক মানুষে ভাগ হয়ে যায়। এই ভাগ হয়ে যাওয়া মানুষেরা এই একজন মানুষ বা মানব জাতির জন্যে কাজ করতে থাকে অথচ এই কাজ গুলো এক জন মানুষের জন্যে অনেক কঠিন ছিল। এভাবেই সমাজের জন্ম হয়। তবে দুঃখের বিষয় হল এই মানুষের অংশ গুলো এতো বেশী ভাগ হয়ে গিয়েছে আর বর্তমানে ভাগ হয়ে যাওয়া অংশ গুলোকে আর এক করা যাচ্ছে না আর তারা অর্থাৎ হাত, পা, নাক ইত্যাদি প্রত্যেকেই নিজেদেরকে এক একটা আস্ত মানুষ মনে করছে।

এমারসন তার স্রোতাদের আজকের সভার উদ্দেশ্য স্মরণ করিয়ে দেন। আর তা হল একজন বিদ্বান বা পন্ডিত ব্যাক্তির শিক্ষা কতটুকু থাকা উচিত ও তার কাজ কি হওয়া উচিত। তাদের কে তিনি “Man Thinker”  হিসেবে সূচায়িত করেন। তাদেরকে তিনি “Mere Thinker”  হতে নিষেধ করেন যারা শুধু বই পড়ে কিন্তু তার নিজস্ব চিন্তা ভাবনা কে কাজে লাগিয়ে সেই বই এর সত্যাসত্য ও শিক্ষা কে যাচাই বাছাই করে দেখে না। তিনি বিদ্বান ব্যাক্তিকে প্রকৃতি, অতীতের জ্ঞানবান ব্যাক্তিদের লিখা বই ও তার বর্তমান কালের কাজের দ্বারা নিজের চিন্তাকে প্রভাবিত করতে বলেন।

ভূমিকা শেষ করে তিনি আমাদের মনের উপর প্রকৃতির গুরুত্ব ও প্রভাব সম্পর্কে বর্ণনা করেন। একজন পন্ডিত ব্যাক্তি প্রাকৃতিক বিশ্বকে পর্যবেক্ষনের মাধ্যমে জ্ঞান অর্জন করবেন। এটা করতে গিয়েই সে মন বা আত্মার সাথে প্রকৃতির মিল খুজে পাবেন। প্রকৃতি ও মানুষের আত্মা উভয়ের মাঝেই একটা আদি ও অন্ত বিহিন প্রবাহমান ক্ষমতা রয়েছে। যে কেউই আত্মা ও প্রকৃতির মাঝে একটি শৃঙ্খলা খুজে পাবে। প্রকৃতি সম্পর্কে অধ্যয়ন করার মাধ্যমে একজন ব্যাক্তি খুব সহজেই বুঝতে পারবে তার আত্মা সম্পর্কে তার জ্ঞান বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বক্তৃতার ২য় অংশে এমারসন একজন পন্ডিত ব্যাক্তির উপর বই পড়া ও অতীত বিষয়ক অধ্যয়নের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেন। অতীতের বইগুলো অনেক গুরুত্বপূর্ন তথ্য বহন করে কিন্তু  তারা বর্তমানে আমাদের উপর ভয়ঙ্কর প্রভাব ফেলতে পারে। তার এই চিন্তার কারন হচ্ছে অতীতের বই গুলোতে তাদের পূর্বের ভুল চিন্তাগুলো থাকতে পারে।  সকল সময়েই যত বই লিখা হয়েছে সে সময়ের সমাজ এর উপর প্রভাব ফেলেছে। এমারসন যুক্তি দেন সকল যুগ এবং সকল সমাজ তাদের নিজস্ব সত্যকে তৈরী করেছে। এমারসন মানুষের সৃজনশীল প্রতিভা ও তার মূল চিন্তাকে মূল্যায়ন করেন। বইপোকাদের মত চিন্তা ভাবনা না করে শুধু অতীতের জ্ঞান নিয়ে পড়ে থাকতে নিষেধ করেছেন। তিনি পূর্বোল্লেখিত ঝুকির কথা পুণরায় উল্লেখ করে বলেন এই ঝুকি সত্ত্বেও বই পড়ার মাঝে আনন্দ ও উপকার নিহিত রয়েছে যদি এটা সঠিক পন্থায় করা হয়। এই বইয়ে প্রাপ্ত জ্ঞান দার্শনিকদের চিন্তাকে আরো শাণিত করে তোলে। সকল জ্ঞানী মানুষদের বিজ্ঞান ও ইতিহাসের জ্ঞান থাকা উচিত। আর বিদ্যালয় গুলোর অবশ্যই পড়া মুখস্থ না করিয়ে বরং ছাত্রদের সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটানোতে মনোযোগী হওয়া উচিত। আমেরিকান বিদ্বান ব্যাক্তি অবশ্যই পূর্বের সময়ের বই পড়বে বিভিন্ন তথ্যের জন্যে  তারপর সেই বইয়ের তথ্য ও শিক্ষা সে তার নিজের মত করে চিন্তা করে সাজিয়ে নিবে।

বক্তৃতার ৩য় অংশে এমারসন উল্লেখ করেন একজন বিদ্বান ব্যাক্তিকে অবশ্যই শারীরিক ও মানসিক পরিশ্রমের সাথে যুক্ত থাকা উচিত। বিদ্বান ব্যাক্তি এমন কোন মানুষ হবেন না যিনি দূর্বল শারীরিক কাঠামোর অধিকারী বরং তিনি হবেন শক্ত ও সামর্থবান। যদিও শারীরিক সামর্থ গুরুত্বের দিক দিয়ে গৌণ কিন্তু এটা খুবই প্রয়োজনীয়।

মানুষের অতীতের কাজ গুলোই এক সময় চিন্তায় পরিবর্তিত হয়। আমাদের বর্তমানের কাজ গুলোই সময়ের আবর্তনে এক সময় চিন্তায় রুপান্তরিত হবে যেমন লার্ভা বা শূককীটের সময় লাগে প্রজাপতিতে রুপান্তরিত হতে।  শারীরিক ও মানসিক কর্মকান্ডের ভিতর একজন বিদ্বান ব্যাক্তির আদর্শ জীবন পরিবর্তিত হয়। শারীরিক ও মানসিক কর্মকান্ডের ভারসাম্যই বিদ্বান ব্যাক্তিকে একজন শক্তিশালী চরিত্ররুপে গড়ে তোলে।

৪র্থ অংশে ইমারসন সমাজে একজন আমেরিকান বিদ্বান ব্যাক্তির দায়িত্ব ও কর্তব্য নিয়ে আলোচনা করেন। প্রথমত একজন বিদ্বান ব্যাক্তিকে জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে নিজের উপর আত্মবিশ্বাস তৈরী করতে হবে যাতে করে সে একটি জ্ঞান ভান্ডার হিসেবে পরিগণিত হয়। বিদ্বানকে হতে হবে সকল প্রকার ও সকল শ্রেণীর মানুষের কাছে জ্ঞানের নির্যাস ও সার্বজনীন ধারনা পৌছাতে সক্ষম ব্যাক্তি।

সর্বশেষ অংশে তিনি তার বক্তৃতায় আগের যুগের পশ্চিমা সভ্যতার চিন্তা বাদ দিয়ে বরং অতীন্দ্রিয় দর্শনের উপর গুরুত্ব দিয়েছেন বলে তিনি স্রোতাদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। তিনি আমেরিকান সভ্যতার উন্নয়নকে একটি শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্কে উন্নয়নের সাথে তুলনা করেছেন। এরপর তিনি আঠারো শতকের প্রথম অংশকে উল্লেখ করেন এমন একটি সময় হিসেবে যখন প্রশ্ন করে অসন্তোষ ছাড়া কিছুই পাওয়া যেত না। আর বর্তমান সময় অর্থাৎ যখন তিনি বক্তব্য দিচ্ছেন ইহাকে তিনি এক নতুন সময়ের সাথে তুলনা করেন।

এই অংশের শেষ অনুচ্ছেদে তিনি ব্যাক্তির গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বিশ্বাস করেন যে আমেরিকানরা ব্যাক্তির উপর জোড় দেয়। তার “Self Reliance”  নামক প্রবন্ধের কথা তুলে ধরেন সেখানে তিনি বলেছেন ব্যাক্তির উপর গুরুত্বারোপ একেবারেই একটা আমেরিকান চিন্তাধারা। তিনি আমেরিকান বিদ্বানদের তাদের এই নতুন জ্ঞানকে সাহসীকতার সাথে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিতে উৎসাহিত করেন।

ভবিষ্যত পৃথিবীকে পরিবর্তনের দায়িত্বের কথা তাদেরকে স্মরণ করিয়ে দেন আর বলেন এখন সিদ্ধান্ত তাদের, তারা কি চিন্তাশীল মানুষ হবেন নাকি অন্ধের মত অতীতের নিয়মনীতি অনুসরণ করবেন।

Prose (Masters) Code: 311111

Name Status
The American Scholar by Emerson Published
Civil Disobedience by H.D Thoreau Published
Shakespeare's Sister by Virginia Woolf Coming Soon
Tradition and Individual Talent by T.S Eliot Coming Soon
Literature and Society by F.R Leavis Coming Soon
Comment us if you need any translation, or visit to our Facebook Page.

To Daffodils (ড্যাফোডিল ফুলের প্রতি) by Robert Herrick - Bangla Translation


To Daffodils (ড্যাফোডিল ফুলের প্রতি)

English

Fair Daffodils, we weep to see
You haste away so soon;
As yet the early-rising sun
Has not attain'd his noon.
Stay, stay,
Until the hasting day
Has run
But to the even-song;
And, having pray'd together, we
Will go with you along.

We have short time to stay, as you,
We have as short a spring;
As quick a growth to meet decay,
As you, or anything.
We die
As your hours do, and dry
Away,
Like to the summer's rain;
Or as the pearls of morning's dew,
Ne'er to be found again.

বাংলা অনুবাদঃ

L.1: Fair daffodils =সুন্দর ড্যাফোডিল, we eep to see =  তোমাদের দেখে আমরা করি কান্না
L.2: You haste away so soon: = তােমরা খুবই দ্রুত যাও ঝরে
L.3.- As yet the early-rising sun = এমন কি তখনাে উদিয়মান সূর্য।
L.4.- Has not attained his noon. = পৌছায়নি পূর্ণ দুপুরে।
L.5.- Stay stay = থাকো থাকো
L.6.- Until the hasting day = যতক্ষণ না দ্রুত চলা দিন
L.7- Has run = চলতে থাকে
L8.- But to the evensong; = সন্ধার গানের পর্যন্ত
L9. And having prayed together, we = একসাথে প্রার্থনা করে, মােরা
L.10.- Will go with you along. = যাবাে চলে তোমাদের সাথে।
L.11.- We have short time to stay as you; = আমাদেরও আছে সামান্য সময় তােমাদের মতাে
L.12.- We have as short a spring; = বসন্তের মতােই মােদের আছে সামান্য সময়
LI3.- As quick a growth to decay, = খুবই দ্রুত যাই ক্ষয়ে, |
L.14.- As you or anything. = যেমন তুমি বা যেকোন কিছু।
L15.- We die, = আমরা মরি তেমনে,
L16 + L17. As your hours do = যেমনে তােমার সময় যায় চলে and dry away = এবং যাও ঝরে।
L.18.- Like to the summer's rain; = গ্রীষ্মের বৃষ্টির মতো;
L.19.- Or as the pearls of morning dew, = অথবা ভোরের শিশিরের মুক্তার মতাে,
L.20.- Ne'er to be found again. = যা আর কভূ আসে না ফিরে।

সংক্ষিপ্ত আলােচনা

Robert Herrick এর To Daffodils” একটি শােকধর্মী কবিতা। এ কবিতায় তিনি ডেফোডিল ফুলের পাশাপাশি মানুষের ক্ষণস্থায়ী জীবনের ব্যথাতুর আলােচনা করেছেন। তিনি ডেফোডিল ফুলের ক্ষুদ্র জীবনের সাথে ক্ষুদ্র মানব জীবনকে তুলনা করেছেন। পৃথিবীতে মানুষের জীবনের স্থায়ীত্ব খুবই অল্প ঠিক যেন ডেফোডিল ফুলের মতাে। তার মতে সুন্দর জিনিস পৃথিবীতে চিরদিন টিকে থাকে না, যেমন টিকে থাকে ডেফোডিল ফুল।

কবি এ কথা বলে কবিতা শুরু করেন যে, ডেফোডিল ফুলগুলো অতিদ্রুত বিলীন হয়ে যাচ্ছে। তাদের আয়ুষ্কাল এতাে কম যে, মনে হয় উদীয়মান সূর্য দুপুর বেলা পর্যন্ত পৌঁছার আগেই তারা বিলীন হয়ে যায়। কবি তারপর তাদেরকে কমপক্ষে সন্ধ্যার প্রার্থনা পর্যন্ত থাকার অনুরােধ জানান। তিনি বলেন প্রার্থনা শেষে তারাও ডেফোডিল ফুলের সঙ্গী হবেন। তারপর Herrick যৌবনকে বসন্ত ঋতুর সাথে তুলনা করেন। বসন্ত ঋতুর সময়কাল যেমন অল্প তেমনি যৌবনের স্থায়ীত্ব অল্প। বসন্ত ঋতু যেমন ঋতুদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ তেমনি যৌবনকালও জীবনের সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ সময়। প্রকৃতি তার সকল সম্পদ দিয়ে বসন্ত ঋতুকে সাজিয়ে দেয় তেমনি যৌবনও তার সকল সুষমা নিয়ে প্রস্ফুটিত হয়। তারপর কবি মানব জীবনকে গ্রীষ্মের বৃষ্টির সাথে এবং সকালের মুক্তোর মতাে জ্বলজ্বলে শিশিরের সাথে তুলনা করেছেন। কেননা তারা সবাই ক্ষণস্থায়ী। মূলত, এখানে পৃথিবীতে মানব জীবনের ক্ষণস্থায়ীত্বের প্রতি শোক করা হয়েছে।

Saturday, May 9, 2020

Robert Herrick Life and Work in Bangla (বাংলা)


Robert Herrick Life and Work
রবার্ট হ্যারিকের জীবন ও সাহিত্যকর্ম

Robert Herrick Life and Work in Bangla

Robert Herrick


ধর্মযাজক ও কবি Robert Herrick (1591-1674) লন্ডন শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তাঁর পিতা-মাতার সপ্তম সন্তান। তাঁর জন্মের এক বছর পর তার পিতা আত্নহত্যা করে মারা যান। Robert Herick এর স্কুলে যােগদান করার কোন প্রমান নেই। যদিও মনে করা হয় তিনি ওয়েষ্টমিনিষ্টার স্কুলে যােগদান করেছিলেন। তিনি ১৬০৭ সালে তাঁর চাচার স্বর্ণের দোকানে শিক্ষানবিশ হিসাবে যােগদান করেন।

“A Country Life: To His Brother M. Tho. Herrick”( 1610) Robert Herrick এর প্রথম পর্যায়ের পরিচিত কবিতা। এটি লন্ডনের শহুরে জীবন ছেড়ে লিচেস্টারশায়ার এর খামার জীবন নিয়ে আলােচনা করে। “To My Dearest Sister M. Merice Herick” 1612 সালের পূর্বে লেখা হয়েছিল। তিনি ১৬১৩ সা৫ে কেমব্রিজের St John College এ প্রবেশ করেন এবং সেখানে তার clipsby Crew সাথে বন্ধুত্ব হয়। তারা দুজন যৌথভাবে কয়েকটি কবিতা রচনা করেন। তারমধ্যে Nuptial Song” উল্লেখযােগ্য। তিনি ১৬১৭ সালে ব্যাচেলর অব আর্টস ডিগ্রি এবং ১৬২০ সালে মাস্টার অব আর্টস ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৬২৩ সালে তিনি পুরােহিত পেশা গ্রহণ করেন। ১৬২৫ সালের মধ্যে তিনি কবি হিসাবে পরিচিতি লাভ করেন। ১৬২৯ সালে তাকে লন্ডন থেকে দূরবর্তী ডেভন প্রিয়র নামক এক গির্জার দায়িত্ব দেয়া হয়। ১৬৪৭ সালে তাকে ডেভন প্রিয়র গির্জার পুরােহিত পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়। আর এ সময়ই তিনি তার ধর্মীয় কবিতার বইগুলাে প্রকাশ করেন। তারমধ্যে উল্লেখযােগ্য হলাে “Noble Numbers”(1647) এবং “Hesperides”(1648)। তিনি অধিক বিখ্যাত ছিলেন তাঁর গীতিধর্মী কবিতা এবং প্রেমময় গানের জন্য। “To Anthea” এবং “ Gather Ye Rose-buds” তাঁর বিখ্যাত কর্ম। তিনি ১৬৪৮ সালের পর আর কোন কবিতা রচনা করেন নি। ১৬৬০ সালে তাকে পুনরায় ডেভন প্রিয়র গির্জার দায়িত্ব দেয়া হয়। মৃত্যুর পর তাকে ডেভন প্রিয়র গির্জার কবরস্থানের একটি অচিহ্নিত কবরে শায়িত করা হয়। তিনি মূলত গ্রামীন প্রকৃতি ও দৃশ্য নিয়ে কবিতা রচনার জন্য বিখ্যাত ছিলেন।

Sunday, May 3, 2020

John Donne Life and Work in Bangla (বাংলা) - (Part 03)

John Donne Life and Work Part 03
জন ডানের জীবন ও সাহিত্যকর্ম (পর্ব ০৩)

জন ডান নারীর কোমল করস্পর্শের যেমন উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন, গভীর আস্থায় বাহুবন্ধনে আবদ্ধ করেন, মরণও তাঁকে তাঁর প্রিয়া থেকে পৃথক করতে পারবে নাঃ
'Two graves must hide thine and my corse.
If one might, death were no divorce.'
তেমনি দু'একটা কবিতায় নারীর প্রতি বিদ্বেষ এবং অবিশ্বস্ততাও প্রকাশ পেয়েছে বেশ তীক্ষভাবে। Song: (Go and Catch a Falling Star) কবিতায় কবির খেদোক্তিঃ
'If thou be’est born to strange sights,
Things invisible to see,
Ride ten thousand days and nights,
Till age snow white hairs on thee,
Thou, when thou return’st, wilt tell me
All strange wonders that befell thee,
And swear
No where
Lives a woman true, and fair.
If thou find'st one, let me know,
Such a pilgrimage were sweet,
Yet do not, I would not go,
Though at next door we might meet,
Though she were true, when you met her,
And last, till you write your letter,
Yet she
Will be
False, ere I came, to two or three.
শেষ স্তবকের শেষাংশে কবি বলছেন যে, যদিও একটা নারীকে বিশ্বস্ত পাওয়া যায় তবুও তাকে বিশ্বাস করা যায় না। কারণ তাকে একটা চিঠি লিখতে যে সময় অতিবাহিত হবে, অতটুকু সময়ের মধ্যেই সে অবিশ্বস্ত হয়ে যাবে। প্রতারণাপূর্ণ হয়ে যাবে। কবি আসতে আসতেই সে প্রেম বিলাবে আরাে দুতিন। জনকে। নারী লােভী। এরা একজনে তৃপ্ত হতে চায় না। তাই নজরুল তার দোলন চাঁপা’য় বলেছিলেনঃ
এরা দেবী, এরা লােভী, এরা চাহে সর্বজন প্রীতি!
নারী নাহি হতে চায় শুধু একা কারাে,
এরা দেবী, এরা লােভী, যত পূর্জা পায়, এরা তত আরাে।
ইহাদের অতি লােভী মন একজনে তৃপ্ত নয়’ এক পেয়ে সুখী নয়,
যাচে বহু জন!
Twicknam Garden’ কবিতায় নারীর প্রতি কবির বিদ্বেষী মনােভাবের পরিচয় পাওয়া যায়ঃ
‘Alas, hearts do not in eyes shine,
Nor can you more judge women's thoughts by tears,
Than by her shadow, what she wears'
ছলনাময়ী নারী জাতটাকে অশ্রু দেখে বিচার করা যায় না। অশ্রু দেখে তার ভালবাসার খাঁটিত্ব বিচার করা যায় না। অশ্রু, অস্ত্র হিসাবেও তারা মাঝে মাঝে ব্যবহার করে পুরুষের হৃদয়রাজ্য দখল করার জন্য অথবা পুরুষকে মানসিকভাবে দুর্বল করার জন্য। এ প্রসঙ্গে নজরুল বলেনঃ
নহে নহে প্রিয়, এ নয় আঁখি জল।
এ শুধু শীতের মেঘে,
কপট কুয়াশা লেগে ছলনা উঠেছে জেগে—এ নহে বাদল
এ নয় আঁখি জল।
তবে জন ডানের কবিতায় সর্বত্রই একটা বিষয় লক্ষ্যণীয় তা হচ্ছে যুক্তির প্রখরতা। প্রবল আবেগের সাথে সবল যুক্তির আড়াআড়ি বুননে তাঁর লেখনীয় গাঁথনি হয়েছে শক্ত সুঠাম। শুধু তরল আবেগে গা • ভাসিয়ে দেননি অথবা শুধু নীরস যান্ত্রিক যুক্তি দিয়ে কবিতাকে বিরস করে তােলেননি। বরং এ দু’য়ের সু সমন্বয় সাধন করেছেন সিদ্ধহস্ত শিল্পীর দক্ষ তুলির টানে। আবেগ এবং যুক্তির একটা সমানুপাতিক সম্বন্ধ তিনি তৈরি করেছেন তাঁর লেখায়। এই সমানুপাতিক মিশ্রণ সম্পর্কে তিনি নিজেই ‘The Good Morrow কবিতায় বলেছেনঃ
‘মিশ্রিত নয় সামানুপাতে ভাঙ্গে সেটা ভাঙ্গে।
আবেগে, উচ্ছাসে, সংযমে, যুক্তিতে, বিষয় বৈচিত্রে নিঃসন্দেহে ম্যাটাফিজিক্যাল কবিদের গুরু ডান একজন উচ্চ মার্গের সাহিত্যরসবেত্তা। তাই বেন জনসন বলেছিলেন, কোনাে কোনাে বিষয়ে ডান বিশ্বের প্রথম কবি’, স্বয়ং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই তাে ডানের কবিতার উদ্ধৃতি টেনেছেন তার শেষের কবিতায়ঃ
'For God's sake hold your tongue, and let me love.'

Quick Access (John Donne Life and Work)

John Donne Life and Works Parts by Parts
- The above Life and work collected from Friend Publication Book. One of the top class publications for the students of the English department.

John Donne (জন ডান) Life and Work in Bangla (Part 02)

John Donne Life and Work Part 02
জন ডানের জীবন ও সাহিত্যকর্ম (পর্ব ০২)

জন ডানের কবিতার জগতে তাঁর কবিতায় বিষয় বৈচিত্র এবং উপমার বৈচিত্র সুস্পষ্টভাবে লক্ষ্যণীয়। ম্যাটাফিজিক্যাল কবিতার বৈশিষ্ট্যানুসারে তিনি উদ্ভট উপমা টানলেও তার পর পরই যুক্তির জোরে (জোরের যুক্তি নয়) উপমাটাকে প্রতিষ্ঠা দিয়েছেন নিপুণ দক্ষতায়। The Good Morrow’ কবিতায় কবি বলেছেনঃ
The Good Morrow (বাংলা) by John Donne Bangla Translation

The Good Morrow (বাংলা) by John Donne Bangla Translation

‘My face in thine eye, thine in mine appears,
And true plain hearts do in the faces rest,
Where can we find two better hemispheres
Without sharp north, without declining west?
Whatever dies, was not mixed equally.'

আবার “A Valediction : Forbidding Mourning' কবিতায় তাদের দুই প্রেমিক প্রেমিকাকে কম্পাসের দুই বাহুর সাথে তুলনা করেছেন এবং এর পক্ষে যুক্তি দিয়েছেন মজবুতঃ
'If they be two, they are two so
As stiff twin compasses are two,
The soul the fixed foot, makes no show
To move, but doth, if the other do.
 And though it in the centre sit,
Yet when the other far doth roam,
It leans, and hearkens after it,
And grows erect, as that comes home.' 

এই কবিতারই শেষ স্তবকে কবি বলেছেন যে, কম্পাসের একটি বাহু স্থির থাকে, স্থান পরিবর্তন করে না বলেই অপর বাহু চারদিক ঘুরে সঠিকভাবে বৃত্ত অঙ্কন করতে পারে। অর্থাৎ তাঁর প্রেমিকা তাঁর উপর বিশ্বাসে স্থির আছে বলেই তিনি জীবনের কক্ষপথ সঠিকভাবে পরিভ্রমণ করতে পারছেন। এবং কম্পাসের বহির্বাহুর মতােই ফিরে আসতে পারছেন, যেখানে থেকে শুরু করেছেন সেখানেঃ
"Such wilt thou be to me, who must
Like th’other foot, obliquely run;
Thy firmness makes my circle just,
And makes me end, where I begun.' 
এ ধরনের কষ্ট কল্পিত উপমা উদাহরণ অনেক সময় লেখনীর সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে সুন্দরীর অলক তিলকের মতাে।

প্রেমের মালঞ্চে জন ডান আশাবাদী প্রেমিক। দেহকামনাহীন প্রেমে তিনি বিশ্বাসী নন। শুধু হতাশা, শুধু নিরাশা, শুধু দীর্ঘশ্বাস, শুধু অশ্রু নয় বরং সফল প্রেমের পক্ষে তিনি। গভীর প্রেমের পক্ষে তিনি। প্রিয়ার লজ্জাবনত অক্ষিযুগল তাকে আকর্ষণ করে প্রবলভাবে। এক মুহূর্তের জন্যও প্রিয়ার চোখ থেকে চোখ ফিরাতে চান না। “The Sun Rising' কবিতায় তিনি বলেন :
 “Thy beams, so reverend, and strong
Why shouldst thou think?
I could eclipse and cloud them with a wink
But that I would not lose her sight so long.'
এ যেন রবীন্দ্রনাথেরঃ
কবে আর হবে থাকিতে জীবন
আঁখিতে আঁখিতে মােদের মিলন।
প্রেমের ক্ষেত্রে আঁখিতে আঁখিতে মিলন প্রেমিক প্রেমিকার হৃদয় তােলপাড় করা এক অবর্ণনীয় অনুভূতি। প্রেম যেখানে গভীরতা প্রাপ্ত হয়, মান অভিমান যেখানে ঘনত্ব প্রাপ্ত হয় সেখানেই দৃষ্টির এই দৃষ্টি নন্দন অনুভূতি উপলব্ধি সীমায় ধারণ করা সম্ভব। আর ডানের পক্ষে তা সম্ভব হয়েছিল। তিনি খাটি প্রেমিক। প্রেম, জীবন কাননে কোমল পায়ে পদার্পণ করতে পারে যে কোনাে সময়। এ ব্যাপারে কোনাে ছকে বাঁধা নিয়ম নীতি নেই। কাণ্ডজ্ঞানের পরিচয় দেয়া আদর্শ প্রেমিকের আদর্শ নয়। কেননা, যে প্রেমিক কাণ্ডজ্ঞানের পরিচয় দেয়, সে মােটেই প্রেমিক নয়। জন ডান এ ব্যাপারে কাণ্ডজ্ঞান বা সময় জ্ঞানের পরিচয় দিতে রাজি নন। The Sun Rising' কবিতার প্রথম স্তবকের শেষ দুই লাইনে কবি বলেনঃ
Love, all alike no season knows, nor clime,
Nor hours, days, months, which are the rags of time.' 
এ যেন ডঃ ভূপেন হাজারিকার কণ্ঠেঃ
‘সময় বা অসময়
এখন না তখন,
ফাগুন, শাওন বুঝে প্রেম আসে না।
সে সময় কখনাে বুঝে না,
প্রেম, সময় কখনাে বুঝে না।

Quick Access (John Donne Life and Work)

John Donne Life and Works Parts by Parts
- The above Life and work collected from Friend Publication Book. One of the top class publications for the students of the English department.

John Donne Life and Work in Bangla (Part 01)

John Donne Life and Work Part 01
জন ডানের জীবন ও সাহিত্যকর্ম (পর্ব ০১)

সমাজ পরিবার ও ব্যক্তি বিধৃত জীবনকে শুধুমাত্র উচ্ছ্বসিত ভাবাবেগের পরিবর্তে মূখ্যত বুদ্ধিসচেতন, বিশ্লেষণধর্মী, দার্শনিক মনােভঙ্গি নিয়ে উপলব্ধির প্রয়াস জন ডান-এর অভিষ্ট লক্ষ্য ছিল। জীবনের হতাশা নিরাশা, ধূসর ভবিষ্যতের ঊষর মরুতে বিচরণ না করে তিনি জীবনকে তৃণে-শস্যে, ফুলেফসলে সফল দেখতে চান। আর এই মানসে তিনি প্রত্যয়ী, পরিশ্রমী। তাঁর প্রত্যয়ী মনােভাব তাঁকে পৌছে দিয়েছে খ্যাতির উচ্চাসনে। তিনি আবিষ্কার করলেন স্বতন্ত্র কাব্যধারা। ম্যাটাফিজিক্যাল’ কবিতা।

ম্যাটাফিজিক্যাল কবিদের গুরু জন ডান জন্ম করেন ১৫৭২ সালে লন্ডনে। তিনি ছিলেন তার বাবা মায়ের জ্যেষ্ঠ পুত্র। তার মাও ছিলেন শিল্প-সাহিত্য ঘেঁষা পরিবারের সদস্যা। তাঁর মা ছিলেন নাট্যকার John Heywood-এর বােন। জন ডান-এর পিতা একজন ধনাঢ্য ব্যবসায়ী। যখন জন ডান-এর বয়স মাত্র চার বছর তখন তাঁর বাবা পরপারে পাড়ি জমান। জন ডান শিক্ষা জীবন কাটিয়েছেন অক্সফোর্ড এবং ক্যামব্রিজে। তবে ধর্মীয় কারণে তিনি ডিগ্রি অর্জন করতে পারেননি।

ব্যক্তিগত জীবনে জন ডান ছিলেন উচ্চাভিলাষী। প্রেমের ক্ষেত্রেও তাই। প্রেম ছিল এক অভিজাত পরিবারের কন্যার সাথে এবং এই প্রেমের কারণে তাঁকে কিছুদিন জেলও খাটতে হয়েছিল।

আগেই বলা হয়েছে যে, অক্সফোর্ড ক্যামব্রিজের মতাে জগদ্বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশােনা করেও শুধুমাত্র ধর্মীয় কারণে তিনি ডিগ্রি অর্জন করতে পারেননি। পরে ডান ধর্মের উপর লেখাপড়া করেন, ধর্মান্তরিত হন। তিনি ক্যাথলিক ধর্ম ত্যাগ করে অ্যাংলিকান ধর্ম গ্রহণ করেন। এর পর তিনি পাদ্রী এবং বিখ্যাত গির্জা সেন্টপলস্-এর উপাচার্যও হয়েছিলেন। কোনাে ইংরেজ কবির পক্ষে গির্জার উপাচার্য হওয়ার ঘটনা বিরল। ধর্মের উপর পড়াশােনা, পাদ্রী এবং শেষ অবধি গির্জার উপাচার্য হওয়ায় জন ডান-এর জীবনে ধর্ম গভীরভাবে প্রভাব ফেলেছিল। তিনি ছিলেন ধর্মানুরাগী। তাঁর স্ত্রীর মৃত্যুর পর তিনি আরও বেশি ধর্মানুরাগী হয়ে পড়েন।

যে সময় জন ডান কাব্য চর্চায় হাত দেন সে সময় এলিজাবেথীয় যুগের সহজ সাবলীল কাব্য ধারার অস্তায়মান অবস্থা। কাব্য হয়ে উঠল বুদ্ধির দীপ্তিতে প্রােজ্জ্বল। যুক্তি নির্ভর গণিত, জ্যামিতি, জ্যোতির্বিদ্যা, দর্শন এসব চলে এল কবিতার পাতায়। আসল উদ্ভট কল্পনা আর উদ্ভট উপমা। আর এই ধারার কবিদেরকে ব্যঙ্গ করে বলা হতাে ‘ম্যাটাফিজিক্যাল পােয়েটস্' যার অর্থ হচ্ছে ‘দার্শনিক কবিদল। এই কবি গােষ্ঠীর কেহই দার্শনিক ছিলেন না। তবে এদের কবিতায় দার্শনিকসুলভ ভাব-ভাষা, শব্দ, উপমা ব্যবহার হতাে বলেই এদের এরূপ নামকরণ। আর জন ডান হচ্ছেন ম্যাটাফিজিক্যাল কবিদের অগ্রদূত।

জন ডান ছিলেন উইলিয়াম শেকসপীয়র, ক্রিষ্টোফার মার্লো, এডমন্ড স্পেন্সর এদের মতাে শক্তিমান কবিদের সমসাময়িক। ফলে তাঁকে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছে কাব্য জগতে নিজের স্বতন্ত্র আসন গড়ে নিতে।

কারণ তখন এসব কবিরাই তাে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে। স্পেন্সরের শত শত সনেট তখন প্রকাশিত হচ্ছে। জন ডান ছাড়াও ম্যাটাফিজিক্যাল কবিদের মধ্যে রয়েছেনঃ

কবি সময়কাল
জর্জ হারবার্ট ১৫৯৩–১৬৩৩
রবার্ট হেরিক ১৫৯১–১৬৭৪
জন সাকলিং ১৬০৯–১৬৪২
রিচার্ড ক্র্যাশ ১৬১৩–১৬৪৯
রিচার্ড লাভলেস ১৬১৮–১৬৫৭
আব্রাহাম কাউলে ১৬১৮–১৬৬৭
এ্যান্ড্রু মারভেল ১৬২১–১৬৭৮
হেনরি ভন ১৬২১–১৬৯৫

খ. জন ডান মৃত্যুবরণ করেন লন্ডনে, ৩১শে মার্চ ১৬৩১ সালে। জন ডান এর গ্রন্থগুলাের নাম নীচে দেয়া হলােঃ

  1. সিওডু মার্টার ১৬১০ সাল
  2. এন এনাটমি অব দি ওয়ার্ল্ড (ফাস্ট এ্যানিভার্সারি) ১৬১১ সাল
  3. এ্যানিভার্সারিজ ১৬১১-১৬১২ সাল
  4. লাভস আলকেমি, হােলি সনেটস্ ১৬০৭-১৬১২ সাল
  5. অব দি প্রগ্রেস অব দি সৌল ১৬১২ সাল
  6. কনসেইটস্ ডেথস ডুয়েল ১৬৩১ সাল
  7. সংস এ্যান্ড সনেট ১৬৩৩ সাল
  8. বাইয়াথানাটোস্ ১৬৪৪ সাল
    1. শেষ দুটি বই হচ্ছে গদ্য রচনা।

Quick Access (John Donne Life and Work)

John Donne Life and Works Parts by Parts
- The above Life and work collected from Friend Publication Book. One of the top class publications for the students of the English department.

Saturday, May 2, 2020

The Good Morrow (বাংলা) by John Donne Bangla Translation

The Good Morrow by John Donne in bengali (বাংলা), Good Morrow Bangla translation, John Donne কবিতা, Literature in bangla, Love Poem, ভালোবাসার কবিতা, TranslationBD.Com, "The Good Morrow " (বাংলা) Bengali translation,
The Good Morrow (বাংলা)  by John Donne Bangla Translation

The Good-Morrow

I wonder, by my troth, what thou and I
Did, till we loved? Were we not weaned till then?
But sucked on country pleasures, childishly?
Or snorted we in the Seven Sleepers’ den?
’Twas so; but this, all pleasures fancies be.
If ever any beauty I did see,
Which I desired, and got, ’twas but a dream of thee.

And now good-morrow to our waking souls,
Which watch not one another out of fear;
For love, all love of other sights controls,
And makes one little room an everywhere.
Let sea-discoverers to new worlds have gone,
Let maps to other, worlds on worlds have shown,
Let us possess one world, each hath one, and is one.

My face in thine eye, thine in mine appears,
And true plain hearts do in the faces rest;
Where can we find two better hemispheres,
Without sharp north, without declining west?
Whatever dies, was not mixed equally;
If our two loves be one, or, thou and I
Love so alike, that none do slacken, none can die.


বাংলা অনুবাদ

  • Line 1: আমি শপথ করে বলি কি তুমি আর আমি
  • Line 2: তুমি আর আমি কি করতাম? ভালোবাসার আগ পর্যন্ত? তখনো কি আমরা মায়ের বুকের দুধ পান করা হতে বিরত হয় নি?
  • Line 3: হয়তো আমরা শিশুর মত গ্রাম্য আনন্দ উপভোগ করতাম।
  • Line 4: অথবা আমরা ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলাম সেই সাতজন ঘুমে আচ্ছন্ন যুবকের মতো।
  • Line 5: এটা হয়তো তাই। কিন্তু সমস্ত আনন্দ যা আমি উপভোগ করেছিলাম তা কল্পনা মনে হয়।
  • Line 6: যদি কোন সময় কোন সৌন্দর্য আমি দেখতাম।
  • Line 7: যা আমি প্রত্যাশা করতাম অথবা উপভোগ করতাম তা তোমার প্রতিচ্ছবি বা কল্পনা ছাড়া কিছুই হতো না।
  • Line 8: স্বাগতম জানাই আমাদের জাগ্রত আত্মাকে।
  • Line 9: যে আত্মা দু’টি তাকায়-একে অন্যের দিকে সন্দেহ নিয়ে নয়।
  • Line 10: তোমার ভালবাসার জন্য অন্য কিছুর ভালবাসা আমি নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।
  • Line 11: আমরা তৈরী করতে পারি ছোট্ট কক্ষ যে কোন স্থানে থেকে।
  • Line 12: সমুদ্র ভ্রমণকারীগণ নতুন নতুন দেশে পদক্ষেপ ফেলতে পারে।
  • Line 13: মানচিত্রবিদগণ জনগনদের নতুন নতুন দেশ দেখাতে পারে।
  • Line 14: আমাদের তো আছে প্রত্যেকের একটি করে পৃথিবী এবং ভালবাসার কারণে দুই পৃথিবী মিলে হয়েছে এক পৃথিবী।
  • Line 15: আমার মুখ তোমার চোখে এবং তোমার মুখ আমার চোখে ভেসে উঠে।
  • Line 16: আমাদের নিষ্পাপ দু’টি হৃদয় আমাদের মুখে প্রতিফলিত হয়।
    • এখানে কবি তাদের দুটি নিষ্পাপ হৃদয় ও নিষ্পাপ মুখ-মন্ডলকে পৃথিবীর দুটি গোলার্ধের সাথে তুলনা করেছেন।
  • Line 17: কোথায় আমরা খুঁজে পাব আমাদের গোলার্ধের মত ভাল দু’টি গোলার্ধ।
  • Line 18: যেখানে নেই ঠান্ডাযুক্ত উত্তর ও আস্তায়মান পশ্চিম।
    • এখানে কবি ভৌগোলিক শাখা হতে ‍উপাদান সংগ্রহ করেছেন।
  • Line 19: যাহা কিছু ধ্বংস হয় তা সমান ভাবে মিশে না।
    • এখানে কবি সমসত্ব ও অসমসত্ব মিশ্রণের কথা উল্লেখ করেছেন। 
      • সমসত্ব মিশ্রণ- যেখানে সব কিছু সমান ভাবে মিশে।
      • অসমসত্ব মিশ্রণ - যেখানে সব কিছু সমান ভাবে মিশে না।
    • কবির মতে যা কিছু সমানভাবে মিশে তা কখনো ধ্বংস হয় না এবং যা কিছু সমান ভাবে মিশে না তা ধ্বংস হয়।
  • Line 20: যদি আমাদের দুইজনের ভালবাসা এক হয় এবং তুমি আর আমি।
  • Line 21: আমরা যদি সমান ভালবাসি তাহলে আমরা একে অন্যের কাছ হতে বিচ্ছিন্ন হব না এবং কেউ মারাও যাব না।

শব্দার্থ ও টিকা:

  • Wonder - বিষ্মিত হওয়া। By my troth - শপদ করে বলা। (truth)
  • Thou - তুমি lov'd - Loved
  • Weaned - মায়ের বুকের দুধ পান করা হতে বিরত থাকা। Suck - গ্রহণ করা বা উপভোগ করা।
  • Country Pleasure - গ্রাম্য আনন্দ।
  • Snorted - নাক দিয়ে জোড়ে শব্দ করে ঘুম আসা।
  • Seven sleeper's den - গুহায় সাতজন ঘুমন্ত ব্যক্তি, কথিত আছে ৭ জন যুবক Epheus নামক স্থানে খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণের কারণে তৎকালিন রাজ্যের বিধর্মী রাজা Decius ২৫১ সালে তাদের মৃত্যুর দন্ডাদেশ দেয়। যার ফলে সেই সাতজন যুবক সেই স্থান থেকে পলায়ন করে একটি গুহায় স্থান নেয়, সেখানে তারা দুইশত বছর ঘুমায়। এবং যখন তারা ঘুম থেকে জেগে উঠে তখন ও তারা যুবক থাকে। তাই কবি মনে করেন তারা ভালোবাসার পূর্বে এমন ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলো। এটি Conceit এর একটি উদাহরণ।
  • Desired - প্রত্যাশা করা। Good Morrow - স্বাগতম।
  • One Another - Each other - পরস্পর পরস্পরের দিকে। Other sights - অন্যান্য দৃশ্য।
  • Controules - নিয়ন্ত্রণ করা। Little Room - ছোট্ট কক্ষ
  • Possesse - অধিকারে থাকা। hath - have/has/had
  • Thine - তোমার Mine - আমার। Plain - নিষ্পাপ Finde - খুজে পাওয়া।
  • Sharp North - প্রচন্ড ঠান্ডাযুক্ত উত্তর, যেখানে জীবনযাত্রা স্থবির।
  • Decline - অস্ত যাওয়া। Declining West - আস্তায়মান পশ্চিম, যেখানে সূর্য অস্ত যায় এবং যার ফলে পৃথিবী অন্ধকারময় হয়।
  • What ever - যাহাই। Dye - মারা যাওয়া।
  • Two Love - দুজনের ভালোবাসা। Alike - সমভাবে। Slacken - বিচ্ছিন্ন করা।